২৭/১. অধ্যায়ঃ

যুদ্ধবিগ্রহ সম্পর্কিত - তৃতীয় অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৫৪৩৫-[২৬]

عَن شَقِيق عَن حُذَيْفَة قَالَ: كُنَّا عِنْدَ عُمَرَ فَقَالَ: أَيُّكُمْ يَحْفَظُ حَدِيثِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْفِتْنَةِ؟ فَقُلْتُ: أَنَا أَحْفَظُ كَمَا قَالَ: قَالَ: هَاتِ إِنَّكَ لِجَرِيءٌ وَكَيْفَ؟ قَالَ: قُلْتُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ «فِتْنَةُ الرَّجُلِ فِي أَهْلِهِ وَمَالِهِ وَنَفْسِهِ وَوَلَدِهِ وَجَارِهِ يُكَفِّرُهَا الصِّيَامُ وَالصَّلَاةُ وَالصَّدَقَةُ وَالْأَمْرُ بِالْمَعْرُوفِ وَالنَّهْيُ عَنِ الْمُنْكَرِ» فَقَالَ عُمَرُ: لَيْسَ هَذَا أُرِيدُ إِنَّمَا أُرِيدُ الَّتِي تَمُوجُ كَمَوْجِ الْبَحْر. قَالَ: مَا لَكَ وَلَهَا يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ؟ إِنَّ بَيْنَكَ وَبَيْنَهَا بَابًا مُغْلَقًا. قَالَ: فَيُكْسَرُ الْبَابُ أويفتح؟ قَالَ: قُلْتُ: لَا بَلْ يُكْسَرُ. قَالَ: ذَاكَ أَحْرَى أَنْ لَا يُغْلَقَ أَبَدًا. قَالَ: فَقُلْنَا لحذيفةَ: هَل كَانَ عمر يعلم مَنِ البابُ؟ قَالَ: نَعَمْ كَمَا يَعْلَمُ أَنَّ دُونَ غَدٍ لَيْلَةٌ إِنِّي حَدَّثْتُهُ حَدِيثًا لَيْسَ بِالْأَغَالِيطِ قَالَ: فَهِبْنَا أَنْ نَسْأَلَ حُذَيْفَةَ مَنِ الْبَابُ؟ فَقُلْنَا لِمَسْرُوقٍ: سَلْهُ. فَسَأَلَهُ فَقَالَ: عُمَرُ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ متفق علیہ ، رواہ البخاری (7096) و مسلم (26 / 144)، (7268) ۔ (مُتَّفق عَلَيْهِ)

শাক্বীক্ব (রহিমাহুল্লাহ) হুযায়ফাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

একদিন আমরা উমর (রাঃ)-এর নিকট বসাছিলাম। তখন তিনি বললেন, তোমাদের মাঝে কোন ব্যক্তির রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -এর ফিতনাহ্ সম্পৰ্কীয় বাণী স্মরণ আছে কি? হুযায়ফাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, আমার স্মরণ আছে তিনি ((ﷺ)) যেভাবে বলেছেন। উমর (রাঃ) বললেন, তা পেশ কর। এ ব্যাপারে তুমি সৎসাহসী। আচ্ছা বল দেখি, তিনি। (ﷺ)) ফিতনাহ্ সম্পর্কে কেমন বলেছেন? আমি বললাম, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, মানুষ ফিতনায় পড়বে তার পরিবার-পরিজন, ধন-সম্পদ, তার নিজের সন্তান-সন্ততি ও পাড়া-প্রতিবেশীর ব্যাপারে। তার সালাত-সিয়াম, সদাক্বাহ্ এবং ভালো কাজের আদেশ ও মন্দ কাজের নিষেধ তা মিটিয়ে দেবে।উমর (রাঃ) বললেন, আমি ঐ ফিতনাহ্ সম্পর্কে জানতে চাইনি, বরং যে ফিতনাহ্ সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো উত্থিত হবে এবং তোলপাড় করে ফেলবে, সেই ফিতনাহ্ সম্পর্কে জানতে চেয়েছি।হুযায়ফাহ্ (রাঃ) বলেন, তখন আমি বললাম, হে আমীরুল মুমিনীন! উক্ত ফিতনার সাথে আপনার কি সম্পর্ক? তা তো আপনার মধ্যে একটি বন্ধ দরজা রয়েছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, আচ্ছা সেই দরজাটি কি ভেঙ্গে দেয়া হবে, না খোলা হবে? হুযায়ফাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, খোলা হবে না, বরং ভেঙ্গে দেয়া হবে। তখন উমর (রাঃ) বললেন, তাহলে সাধারণত এটাই প্রকাশ পায় যে, তা আর কখনো বন্ধ করা হবে না।রাবী বলেন, তখন আমরা হুযায়ফাহ্ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম- আচ্ছা! উমর (রাঃ) কি জানতেন দরজাটি কি? উত্তরে তিনি বললেন, হ্যাঁ, তিনি এমন নিশ্চিতভাবে জানতেন যেমন আগামীকালের পূর্বে রাত্রির আগমন সুনিশ্চিত। আমি তাঁকে (উমরকে) এমন একটি হাদীস বর্ণনা করেছি, যা কোন গোলকধাঁধা নয়। রাবী বলেন, আমরা তো এ ব্যাপারে হুযায়ফাহ্ (রাঃ)-কে প্রশ্ন করতে ভয় পাচ্ছিলাম তাই মাসরূক-কে বললে তিনি হুযায়ফাহ্-কে প্রশ্ন করলেন, দরজাটি কি? উত্তরে তিনি বললেন, দরজাটি হলেন, উমর’ নিজেই।

সহীহ: বুখারী ৫২৫, মুসলিম ২৩১-(১৪৪), তিরমিযী ২২৫৮, ইবনু মাজাহ ৩৫৫৫, সহীহুল জামি' ৪১৯৫, মুসান্নআফ ‘আবদুর রাযযাক ২০৭৫২, মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ ৩৭১২৯, মুসনাদে আবদ ইবনু হুমায়দ ৪৪৭, মুসনাদে বাযযার ২৮৪৪, মুসনাদে আহমাদ ২৩৩২৮, আস সুনানুল কুবরা লিন্ নাসায়ী ৩২৭, হিলওয়াতুল আওলিয়া ৪/৩৬৯, আল মু’জামুল আওসাত্ব ১৭৭৪।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন