২৭/৩. অধ্যায়ঃ
কেয়ামতের পূর্বলক্ষণসমূহ এবং দাজ্জালের বর্ণনা - প্রথম অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৫৪৬৪-[১]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৫৪৬৪-[১]
عَن حذيفةَ بن أسيد الْغِفَارِيّ قَالَ: اطَّلَعَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَيْنَا وَنَحْنُ نَتَذَاكَرُ. فَقَالَ: «مَا تَذْكُرُونَ؟» . قَالُوا: نَذْكُرُ السَّاعَةَ. قَالَ: إِنَّهَا لَنْ تَقُومَ حَتَّى تَرَوْا قَبْلَهَا عَشْرَ آيَاتٍ فَذَكَرَ الدُّخَانَ وَالدَّجَّالَ وَالدَّابَّةَ وَطُلُوعَ الشَّمْسِ مِنْ مَغْرِبِهَا وَنُزُولَ عِيسَى بْنِ مَرْيَمَ وَيَأْجُوجَ وَمَأْجُوجَ وَثَلَاثَةَ خُسُوفٍ: خَسْفٌ بِالْمَشْرِقِ وَخَسْفٌ بِالْمَغْرِبِ وَخَسْفٌ بِجَزِيرَةِ الْعَرَبِ وَآخِرُ ذَلِكَ نَارٌ تَخْرُجُ مِنَ الْيَمَنِ تَطْرُدُ النَّاسَ إِلَى مَحْشَرِهِمْ . وَفِي رِوَايَةٍ: «نَارٌ تَخْرُجُ مِنْ قَعْرِ عَدَنَ تَسُوقُ النَّاسَ إِلَى الْمَحْشَرِ» . وَفِي رِوَايَةٍ فِي الْعَاشِرَةِ «وَرِيحٌ تُلْقِي النَّاسَ فِي الْبَحْر» . رَوَاهُ مُسلم رواہ مسلم (39 / 2901 ، 40 / 2901)، (7285 و 7286) ۔ (صَحِيح)
হুযায়ফাহ্ ইবনু আসীদ আল গিফারী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদিন আমরা পরস্পরে কথাবর্তা বলছিলাম, এমন সময় নবী (ﷺ) আমাদের কাছে উপস্থিত হয়ে প্রশ্ন করলেন, তোমরা কি সম্পর্কে আলোচনা করছ? তারা বললেন, আমরা ক্বিয়ামাত সম্পর্কে আলোচনা করছি। সে সময় তিনি (ﷺ) বললেন, তোমরা দশটি নিদর্শন না দেখা পর্যন্ত ক্বিয়ামাত প্রতিষ্ঠিত হবে না। আর তা হলো-১. ধোঁয়া,২. দাজ্জাল।৩. চতুষ্পদ জন্তু,৪. পশ্চিমাকাশ হতে সূর্য উদিত হওয়া,৫. ‘ঈসা ইবনু মারইয়াম (আঃ)-এর (আকাশ হতে) অবতরণ,৬. ইয়া'জূজ ও মা'জূজ আগমন,৭,৮,৯. তিনটি ভূমিধস, পূর্বাঞ্চলে, পশ্চিমাঞ্চলে এবং ‘আরব উপদ্বীপে;১০. সর্বশেষে ইয়ামান হতে এমন এক অগ্নি বের হবে যা মানুষদেরকে তাড়িয়ে একটি সমবেত হওয়ার স্থান (সিরিয়ার) দিকে নিয়ে যাবে।অপর এক বর্ণনায় আছে, ‘আদান (এডেন)-এর অভ্যন্তর থেকে আগুন বের হবে, যা মানুষদেরকে সমবেত হওয়ার স্থানের দিকে তাড়িয়ে নেবে।এবং অন্য এক রিওয়ায়াতে দশম লক্ষণ সম্পর্কে বলা হয়েছে। এমন এক বাতাস প্রবাহিত হবে যা মানুষদেরকে (কাফিরদেরকে) সাগরে নিক্ষেপ করবে।
সহীহ: মুসলিম ৩৯-(২৯০১), আবু দাউদ ৪৩১১, সহীহ ইবনু হিব্বান ৬৮৪৩, আস্ সুনানুল কুবরা লিন্ নাসায়ী ১১৩৮০, আল মু'জামুল কাবীর লিত্ব তবারানী ২৯৫৯।
