২৮/৪. অধ্যায়ঃ
হাউজে কাওসার ও শাফায়াতের বর্ণনা - প্রথম অনুচ্ছেদ
কুরতুবী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর দুটি হাওয থাকবে। একটি পুলসিরাতের পূর্বে অবস্থানের জায়গায়, অন্যটি থাকবে জান্নাতে। উভয় হাওযের নাম কাওসার। তাদের ভাষায় কাওসার অর্থ অধিক কল্যাণ। সঠিক কথা হলো হাওযের ব্যবস্থা হবে মীযানের পূর্বে। কারণ মানুষেরা কবর থেকে পিপাসার্ত হয়ে বের হবে। অতঃপর তারা নবীদের অবস্থানস্থলে হাওয থাকবে। আমি বলি, জামি’তে রয়েছে, হে নবী (সা.) আপনার জন্য হাওযে কাওসার রয়েছে। তারা গর্ব করে বলবে যে, কারা বেশি আগমন করেছে? আমি আশা করি যে, আমি তাদের মাঝে সর্বাধিক সংখ্যা নিয়ে আগমনকারী হব।রাগিব (রহিমাহুল্লাহ) বলেন, (الشَّفْعُ) বলা হয় কোন জিনিসকে অনুরূপ জিনিসের সাথে যুক্ত করা এখান থেকে (الشَّفَاعَةُ) নির্গত হয়েছে। আর তা বলা হয় অন্যকে সাহায্য করার জন্য তার সাথে যোগদান করা তার থেকে গোপন হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সাধারণের তুলনায় বেশি মর্যাদাবান ব্যক্তির যুক্ত হওয়া তার চাইতে কম মর্যাদার লোকের সাথে শাফা’আত সংঘটিত হবে কিয়ামতে। (মিরকাতুল মাফাতীহ)
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৫৫৭০-[৫]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৫৫৭০-[৫]
وَفِي أُخْرَى لَهُ عَنْ ثَوْبَانَ قَالَ: سُئِلَ عَنْ شَرَابِهِ. فَقَالَ: أَشَدُّ بَيَاضًا مِنَ اللَّبَنِ وَأَحْلَى مِنَ الْعَسَلِ يَغُتُّ فِيهِ مِيزَابَانِ يَمُدَّانِهِ مِنَ الْجَنَّةِ: أَحَدُهُمَا مِنْ ذَهَبٍ وَالْآخَرُ مِنْ ورق رواہ مسلم (37 / 2301)، (5990) ۔ (صَحِيح)
অন্য এক বর্ণনায় আছে, সাওবান (রাঃ) বলেন, (রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে জিজ্ঞেস করা হলো) তার পানীয় কেমন হবে? তিনি (ﷺ) বললেন, দুধের চেয়ে অধিক সাদা এবং মধু অপেক্ষা অধিক সুমিষ্ট। তাতে জান্নাত হতে আগত দু'টি জলধারা প্রবাহিত হতে থাকবে। এটার একটি সোনার অপরটি চাঁদির।
সহীহ: মুসলিম ৩৬-(২৩০০), তিরমিযী ৮৭৭, ইবনু মাজাহ ৪৩০২, সহীহুল জামি' ২০৫৯, আত্ তারগীব ওয়াত্ তারহীব ১১৪৬, সিলসিলাতুস সহীহাহ ২৫১৪, মুসান্নাফ আবদুর রাযযাক ২০৮৬১৪, মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ্ ৩১৬৭২, মুসনাদে বাযযার ২৪৬২, মুসনাদে আহমাদ ২৫৫, আবূ ইয়া'লা ৪০৯৯, সহীহ ইবনু হিব্বান ৬৪৫৫, শু’আবূল ঈমান ১০৪৮৫, আল মুজামুল কাবীর লিত্ব তবারানী ৭৫৭১, আল মু'জামুল আওসাত্ব ৩৩৮৪, আল মুসতাদরাক লিল হাকিম ২৫৫।
