৪/২. অধ্যায়ঃ
প্রথম ওয়াক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সালাত আদায় - প্রথম অনুচ্ছেদ
এ অধ্যায়ে তাড়াতাড়ি সালাত (সালাত/নামায/নামাজ) আদায়ের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এখানে সালাত (সালাত/নামায/নামাজ) বলতে ফরয সালাতকে বুঝানো হয়েছে। কেননা মূলনীতি হলো ফরয সালাতকে প্রথম ওয়াক্তে তাড়াতাড়ি আদায় করে নেয়া। যেহেতু আল্লাহ তা’আলা বলেন,وَسَارِعُوا إِلى مَغْفِرَةٍ مِّنْ رَّبِّكُمْ’’তোমরা আল্লাহর মাগফিরাতের দিকে দ্রুত অগ্রসর হও।’’ (সূরাহ্ আ-লি ’ইমরান ৩: ১৩৩)অন্য আয়াতে আল্লাহ তা’আলা বলেন, ’’তোমরা কল্যাণের কাজে তাড়াতাড়ি অগ্রসর হও।’’(সূরাহ্ আল্ বাক্বারাহ্ ২: ১৪৮)তবে বিশেষ কল্যাণের কারণে শারী’আত প্রণেতা যে সালাতকে দেরী করে আদায় করতে নির্দেশ দিয়েছেন তা দেরী করে আদায় করাই উত্তম। যেমন, ’ইশার সালাত এবং প্রচন্ড গরমের সময় যুহরের সালাত।
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৫৮৮-[২]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৫৮৮-[২]
وَعَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْحَسَنِ بْنِ عَلِىٍّ قَالَ سَأَلْنَا جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللهِ عَنْ صَلَوةِ النَّبِيِّ ﷺ فَقَالَ كَانَ يُصَلِّي الظُّهْرَ بِالْهَاجِرَةِ وَالْعَصْرَ وَالشَّمْسُ حَيَّةٌ وَالْمَغْرِبَ إِذَا وَجَبَتْ وَالْعِشَاءَ إِذَا كَثُرَ النَّاسُ عَجَّلَ وَإِذَا قَلُّوا أَخَّرَ وَالصُّبْحَ بِغَلَسٍ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আম্র জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ)-কে নবী (ﷺ)-এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। উত্তরে তিনি বললেন, তিনি (ﷺ) দুপুর ঢলে গেলে যুহরের সালাত আদায় করতেন। ‘আসরের সালাত আদায় করতেন, তখনও সূর্যের দীপ্তি থাকত। মাগরিবের সালাত আদায় করতেন সূর্য অস্ত যেতেই। আর ‘ইশার সালাত, যখন লোক অনেক হত এবং তাড়াতাড়ি পড়তেন। আর লোকজন কম হলে দেরী করতেন এবং অন্ধকার থাকতে ফাজরের সালাত আদায় করতেন। [১]
[১] সহীহ : বুখারী ৫৬৫, মুসলিম ৬৪৬, আবূ দাঊদ ৩৯৭, ইরওয়া ২৫৪, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ২১১৩।
