২৯/১০. অধ্যায়ঃ
রসূলুল্লাহ কোন প্রকার আর্থিক ওসিয়ত করেননি- মর্মে আলোচনা - প্রথম অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৫৯৭৭-[৫]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৫৯৭৭-[৫]
وَعَنْ أَبِي مُوسَى عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ قَالَ: «إِنَّ اللَّهَ إِذَا أَرَادَ رَحْمَةَ أُمَّةٍ مِنْ عِبَادِهِ قَبَضَ نَبِيَّهَا قَبْلَهَا فَجَعَلَهُ لَهَا فَرَطًا وَسَلَفًا بَيْنَ يَدَيْهَا وَإِذَا أَرَادَ هَلَكَةَ أُمَّةٍ عَذَّبَهَا وَنَبِيُّهَا حَيٌّ فَأَهْلَكَهَا وَهُوَ يَنْظُرُ فَأَقَرَّ عَيْنَيْهِ بِهَلَكَتِهَا حِينَ كذَّبُوه وعصَوْا أمره» . رَوَاهُ مُسلم رواہ مسلم (24 / 2288)، (5965) ۔ (صَحِيح)
আবূ মূসা (রাঃ) নাবী (সাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি (ﷺ) বলেছেন : আল্লাহ তা'আলা তাঁর বান্দাদের মধ্যে যে জাতির প্রতি স্বীয় অনুকম্পা প্রকাশ করতে চান, সে জাতির নবীকে তাদের পূর্বেই মৃত্যু দান করেন। আর সেই নবীকে তাদের জন্য অগ্রগামী ও পূর্বসুরি করেন। পক্ষান্তরে আল্লাহ যখন কোন জাতিকে ধ্বংস করতে ইচ্ছা করেন, তখন তাদের নবীকে তাদের মধ্যে জীবিত রেখে সেই জাতিকে শাস্তি ও গজবে নিপতিত করেন। আর নবী তাদের ধ্বংস দেখে চক্ষুর শীতলতা লাভ করেন। যেহেতু তারা নবীকে মিথ্যুক আখ্যায়িত করেছে এবং তাঁর আদেশাবলী অগ্রাহ্য করেছে।
সহীহ: মুসলিম ২৪-(২২৮৮), সহীহ ইবনু হিব্বান ৬৬৪৭, সহীহুল জামি ১৭০৭।
