৩০/৫. অধ্যায়ঃ
আবু বকর সিদ্দিক ও উমর ফারুক (রা:)-এর মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য - প্রথম অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৬০৫৬-[১]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৬০৫৬-[১]
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: بَينا رجل يَسُوق بقرة إِذْ أعيي فَرَكِبَهَا فَقَالَتْ: إِنَّا لَمْ نُخْلَقْ لِهَذَا إِنَّمَا خُلِقْنَا لِحِرَاثَةِ الْأَرْضِ. فَقَالَ النَّاسُ: سُبْحَانَ اللَّهِ بَقَرَةٌ تَكَلَّمُ . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «فَإِنِّي أومن بِهَذَا أَنَا وَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ» . وَمَا هُمَا ثَمَّ وَقَالَ: بَيْنَمَا رَجُلٌ فِي غَنَمٍ لَهُ إِذْ عدا الذِّئْب فَذهب عَلَى شَاةٍ مِنْهَا فَأَخَذَهَا فَأَدْرَكَهَا صَاحِبُهَا فَاسْتَنْقَذَهَا فَقَالَ لَهُ الذِّئْبُ: فَمَنْ لَهَا يَوْمَ السَّبْعِ يَوْمَ لَا رَاعِيَ لَهَا غَيْرِي؟ فَقَالَ النَّاسُ: سُبْحَانَ الله ذِئْب يتَكَلَّم؟ . قَالَ: أُومِنُ بِهِ أَنَا وَأَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ وَمَا هما ثمَّ. مُتَّفق عَلَيْهِ متفق علیہ ، رواہ البخاری (3471) و مسلم (13 / 2388)، (6183) ۔ (مُتَّفق عَلَيْهِ)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি (ﷺ) বলেছেন : একদিন এক লোক একটি গাভী হাঁকিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। যখন লোকটি ক্লান্ত হয়ে পড়ল, তখন সে তার উপর আরোহণ করল।তখন গাভীটি বলল, এ কাজের জন্য আমাদেরকে সৃষ্টি করা হয়নি; বরং আমাদেরকে জমিনে কৃষি কাজের জন্যই সৃষ্টি করা হয়েছে। তখন লোকজন (বিস্ময়ে) বলে উঠল, সুবহা-নাল্ল-হ! গাভীও কথা বলছে? এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, আমি এ বিষয়ে বিশ্বাস রাখি আর আবূ বাকর এবং উমরও এ বিষয়ে বিশ্বাস রাখেন। অথচ তাঁরা দু'জন কেউই সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আরো বলেন : একদিন এক রাখাল তার বকরির পালের কাছে ছিল। হঠাৎ এক নেকড়ে বাঘ থাবা মেরে পাল হতে একটি বকরি নিয়ে গেল। কিছু পরেই রাখাল বাঘটির কবল হতে বকরিটিকে উদ্ধার করে ফেলল। তখন বাঘটি রাখালকে বলল, হিংস্র জন্তুর রাজ্যের দিন এ বকরির রক্ষাকারী কে থাকবে? যেদিন আমি ছাড়া দ্বিতীয় কেউ তার রাখাল থাকবে না।তখন লোকজন (বিস্ময়ে) বলে উঠল, সুবহা-নাল্ল-হ! নেকড়ে বাঘও কথা বলতে পারে? তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, আমি তার উপর বিশ্বাস রাখি আর আবূ বাকর এবং উমরও বিশ্বাস রাখেন। অথচ তাঁরা দু'জন কেউই সেখানে উপস্থিত ছিলেন না।
সহীহ: বুখারী ৩৪৭১, মুসলিম ১৩-(২৩৮৮), তিরমিযী ৩৬৯৫, সহীহুল জামি ২৮৭১, মুসনাদুল হুমায়দী ১০৫৪, মুসনাদে আহমাদ ৭৩৪৫, সহীহ ইবনু হিব্বান ৬৪৮৬, আস্ সুনানুল কুবরা লিন্ নাসায়ী ৮১১১।
