৩০/৯. অধ্যায়ঃ
আশারাহ মুবাশশারা-এর মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য - প্রথম অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৬১১০-[৩]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৬১১০-[৩]
وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ يَأْتِينِي بِخَبَرِ الْقَوْمِ يَوْمَ الْأَحْزَابِ؟» قَالَ الزُّبَيْرُ: أَنَا فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّ لِكُلِّ نَبِيٍّ حَوَارِيَّاً وحَوَاريَّ الزبيرُ» مُتَّفق عَلَيْهِ متفق علیہ ، رواہ البخاری (2846) و مسلم (48 / 2415)، (6243) ۔ (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) আহযাব (খন্দাক) যুদ্ধের সময় বললেন, এমন কে আছে, যে শত্রুদলের প্রকৃত অবস্থা এনে আমাকে দিতে পারে? তখন যুবায়র (রাঃ) বললেন, আমি। অতঃপর নবী (ﷺ) বললেন, প্রত্যেক নবীর ‘হাওয়ারী' থাকে। নিশ্চয় যুবায়র আমার হাওয়ারী।
সহীহ: বুখারী ২৮৪৬, মুসলিম ৪৮-(২৪১৫), মুসনাদে আহমাদ ৬৮০, তিরমিযী ৩৭৪৪, ইবনু মাজাহ ১২২, সহীহুল জামি' ২১৫৫, মুসনাদুল হুমায়দী ১২৩১, আবূ ইয়া'লা ২০৮২, আস সুনানুল কুবরা লিন্ নাসায়ী ৮২১১, হিলইয়াতুল আওলিয়া ৪/১৮৬, আল মু'জামুল কাবীর লিত্ব তবারানী ২৪৪, আল মু'জামুল আওসাত্ব ৭০৭২।
