৪/১৪. অধ্যায়ঃ
সিজদা ও তার মর্যাদা - প্রথম অনুচ্ছেদ
সাজদার অধ্যায়, অর্থাৎ- সাজদার পদ্ধতি বর্ণনার অধ্যায় এবং এ ব্যাপারে যে ফাযীলাত বর্ণিত হয়েছে সেই সংক্রান্ত আলোচনা। কেননা সিজদা্ একটি বিশেষ ধরনের ’ইবাদাত। সাজদার আভিধানিক অর্থ হলো, নত হওয়া বা ঝুঁকে পড়া। আর শারী’আতের পরিভাষায় বিশেষ পদ্ধতিতে ললাটকে মাটির উপরে রাখাকে সিজদা্ (সিজদা/সেজদা) বলে। কেউ কেউ বলেছেন, ’ইবাদাতের উদ্দেশে মাটির উপর ললাট রাখাকে সিজদা্ বলে।
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৮৯৫-[৯]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৮৯৫-[৯]
وَعَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ إِذَا قَرَأَ ابْنُ اۤدَمَ السَّجْدَةَ فَسَجَدَ اعْتَزَلَ الشَّيْطَانُ يَبْكِي يَقُولُ يَا وَيْلَتَيْ أُمِرَ ابْنُ اۤدَمَ بِالسُّجُودِ فَسَجَدَ فَلَهُ الْجَنَّةُ وَأُمِرْتُ بِالسُّجُودِ فَأَبَيْتُ فَلِي النَّارُ . رَوَاهُ مُسْلِمٌ
উক্ত রাবী আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু, আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আদাম সন্তানরা যখন সাজদার আয়াত পড়ে ও সাজদাহ্ করে, শয়তান তখন কাঁদতে কাঁদতে একদিকে চলে যায় ও বলে হায় আমার কপাল মন্দ। আদাম সন্তান সাজদার আদেশ পেয়ে সাজদাহ্ করল তাই তার জন্য জান্নাত। আর আমাকে সাজদার আদেশ দেয়া হয়েছিল আমি তা অমান্য করলাম। আমার জন্য তাই জাহান্নাম। [১]
[১] সহীহ : মুসলিম ৮১, ইবনু মাজাহ্ ১০৫২, আহমাদ ৯৭১৩, সহীহ ইবনু হিব্বান ২৭৫৯, সহীহ আল জামি‘ ৭২৭, সহীহ আত্ তারগীব ৯৪৩৮। يَا وَيْلَتَيْ অংশটি মুসলিমে এভাবে নেই এবং يَا وَيْلَيْ ও يَا وَيْكَهْ আকারে রয়েছে।
