২/৮. অধ্যায়ঃ

সাহ্‌উ সিজদা ও অন্যান্য সিজদা প্রসঙ্গ - যে ব্যক্তি ভুলবশত সালাত সম্পূর্ণ করার পূর্বে সালাম ফিরাবে তার বিধান

বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ৩৩১

وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ - رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهُ - قَالَ: صَلَّى النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - إِحْدَى صَلَاتِي الْعَشِيِّ (1) رَكْعَتَيْنِ, ثُمَّ سَلَّمَ, ثُمَّ قَامَ إِلَى خَشَبَةٍ فِي مُقَدَّمِ الْمَسْجِدِ, فَوَضَعَ يَدَهُ عَلَيْهَا, وَفِي الْقَوْمِ أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ, فَهَابَا أَنْ يُكَلِّمَاهُ, وَخَرَجَ سَرَعَانُ النَّاسِ, فَقَالُوا: أَقُصِرَتِ (2) الصَّلَاةُ! وَرَجُلٌ يَدْعُوهُ النَّبِيُّ - صلى الله عليه وسلم - ذَا الْيَدَيْنِ, فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ, أَنَسِيتَ أَمْ قُصِرَتْ? فَقَالَ: «لَمْ أَنْسَ وَلَمْ تُقْصَرْ» فَقَالَ: بَلَى, قَدْ نَسِيتَ, فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ سَلَّمَ, ثُمَّ كَبَّرَ, فَسَجَدَ مِثْلَ سُجُودِهِ, أَوْ أَطْوَلَ [ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ فَكَبَّرَ, ثُمَّ وَضَعَ رَأْسَهُ, فَكَبَّرَ, فَسَجَدَ مِثْلَ سُجُودِهِ, أَوْ أَطْوَلَ]. (3) ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ وَكَبَّرَ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ, وَاللَّفْظُ لِلْبُخَارِيِّ. (4)وَفِي رِوَايَةٍ لِمُسْلِمٍ: صَلَاةُ الْعَصْرِ. (5)وَلِأَبِي دَاوُدَ, فَقَالَ: «أَصَدَقَ ذُو الْيَدَيْنِ?» فَأَوْمَئُوا: أَيْ نَعَمْ. (6)وَهِيَ فِي «الصَّحِيحَيْنِ» لَكِنْ بِلَفْظِ: فَقَالُوا. (7)وَهِيَ فِي رِوَايَةٍ لَهُ: وَلَمْ يَسْجُدْ حَتَّى يَقَّنَهُ اللَّهُ تَعَالَى ذَلِكَ

আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিকালের কোন এক সালাত দু’রাক’আত [৩৭১] আদায় করে সালাম ফিরালেন। অতঃপর মাসজিদের একটি কাষ্ঠ খণ্ডের নিকট গিয়ে দাঁড়ালেন এবং তার উপর হাত রাখলেন। মুসল্লীগণের ভিতরে সামনের দিকে আবূ বাক্‌র (রাঃ) ও ‘উমার (রাঃ)ও ছিলেন। তাঁরা উভয়ে তাঁর সাথে কথা বলতে ভয় পাচ্ছিলেন। তাড়াহুড়াকারী মুসল্লীগণ বেড়িয়ে পড়লেন। তাঁরা বলাবলি করতে লাগলেন, সালাত কি কমিয়ে দেয়া হয়েছে? কিন্তু এক ব্যক্তি যাঁকে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যূল ইয়াদাইন বলে ডাকতেন, জিজ্ঞেস করল আপনি কি ভুলে গেছেন, না কি সালাত কমিয়ে দেয়া হয়েছে? তিনি বললেন : আমি ভুলিনি আর সালাতও কম করা হয়নি। তখন তাঁকে বলা হল যে, আপনি ভুলে গেছেন। তখন তিনি দু’রাক’আত সালাত আদায় করে সালাম ফিরালেন। অতঃপর তাকবীর বলে সিজদাহ করলেন, স্বাভাবিক সিজদাহর ন্যায় বা তার চেয়ে দীর্ঘ সিজদাহ্‌। অতঃপর মাথা উঠিয়ে আবার তাকবীর বলে মাথা রাখলেন অর্থাৎ তাক্‌বীর বলে সিজদাহ্‌ গিয়ে স্বাভাবিক সিজদাহ্‌র মত অথবা তার চেয়ে দীর্ঘ সিজদাহ্‌ করলেন। অতঃপর মাথা উঠিয়ে তাক্‌বীর বললেন। শব্দ বিন্যাস বুখারীর। মুসলিমের ভিন্ন একটি বর্ণনায় আছে, “ঐটি আসরের সালাত ছিল।” আবূ দাউদে আছে, তিনি লোকেদের জিজ্ঞেস করলেন- যুলইয়াদাইন কি ঠিক বলছেন? লোকেরা ইশারাতে হ্যাঁ বললো। এটা বুখারী মুসলিমেও আছে, কিন্তু তাতে একবচন শব্দের স্থলে বহুবচন শব্দ রয়েছে। তাঁর অন্য বর্ণনায় আছে- তিনি সাহউ সিজদাহ করেননি যতক্ষন না আল্লাহ্‌ তাঁকে (অন্তরে) এ ব্যাপারে দৃঢ় বিশ্বাস জন্ম দিয়েছেন। [৩৭২]

[৩৭২] বুখারী ৪৮২, ৭১৪, ৭১৫, ১২২৭, ১২২৮, ১২২৯, তিরমিযী ৩৯৪, ৩৯৯, নাসায়ী ১২২৪, ১২২৭, ১২২৮, ১২২৯, আবূ দাউদ ১০০৮, ১০১৪, ১০১৫, ইবনু মাজাহ ১২১৪, আহমাদ ৭১৬০,৭৩২৭, ৭৬১০, ৭৭৬১, মুওয়াত্তা মালেক ২১০, ২১১, দারেমী ১৪৯৬, ১৪৯৭, হাদিসটি মুনকার। এর সানাদে মুহাম্মাদ বিন কাসীর বিন আবি আতা’ রয়েছেন আর তিনি অনেক মুনকার হাদীস বর্ণনা করেন। বিশেষ করে ইমাম আওযায়ীর (রহঃ) কাছ থেকে আর উক্ত হাদীসটিও তার নিকট বর্ণিত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন