৫/১. অধ্যায়ঃ
রোগী দেখা ও রোগের সওয়াব - প্রথম অনুচ্ছেদ
অধিকাংশ লেখকবৃন্দ এর মধ্যে মুহাদ্দিসগণ ও ফুকাহারা জানাযাহ্ পর্বকে সালাতের পরে এনেছেন। কেননা মৃত ব্যক্তির সাথে গোসল, কাফন ইত্যাদি ক্রম করা হয় বিশেষ করে তার ওপর সালাত (সালাত/নামায/নামাজ) আদায় করা হয় যেখানে তার জন্য কবরের ’আযাব হতে মুক্তি পাওয়ার উপকারিতা বিদ্যমান থাকে। কারো মতে মানুষের দু’ অবস্থা একটি জীবিত অপরটি মৃত অবস্থা আর প্রত্যেকটির সাথে সম্পর্ক থাকে ’ইবাদাত ও মু’আমিলাতের হুকুম-আহকাম। আর গুরুত্বপূর্ণ ’ইবাদাত হচ্ছে সালাত। সুতরাং যখন জীবিতকালীন সম্পর্কিত হুকুম-আহকাম হতে মুক্ত হল তখন মৃত্যুকালীন সম্পর্কিত বিষয়াদি আলোচনা করা হল তন্মধ্যে সালাত ও অন্যান্য বিষয়।কারো মতে, জানাযার সালাত শুরু হয়েছে হিজরীর প্রথম বৎসরে, সুতরাং যারা মক্কায় মারা গেছে তাদের ওপর সালাত আদায় হয়নি।
মিশকাতুল মাসাবিহ : ১৫৩৬-[১৪]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ১৫৩৬-[১৪]
وَعَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللّهِ ﷺ: «مَنْ يُرِدِ اللّهُ بِه خَيْرًا يُصِبْ مِنْهُ» . رَوَاهُ البُخَارِيُّ
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ যার কল্যাণ চান তাকে বিপদগ্রস্ত করেন। (বুখারী)[১]
[১] সহীহ : বুখারী ৫৬৪৫, মুয়াত্ত্বা মালিক ৭৪০, আহমাদ ৭২৩৫, সুনানুল কুবরা লিন নাসায়ী ৭৪৩৬, ইবনু হিব্বান ২৯০৭, শু‘আবুল ঈমান ৯৩২৩, সহীহ আত্ তারগীব ৩৪০৫, সহীহ আলজামি‘ আস্ সগীর ৬৬১০।
