২০/০. অধ্যায়ঃ
শিকার ও যবেহ প্রসঙ্গে - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৪০৮২-[১৯]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৪০৮২-[১৯]
وَعَن أبي العُشَراءِ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ قَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ أَمَا تَكُونُ الذَّكَاةُ إِلَّا فِي الْحَلْقِ وَاللَّبَّةِ؟ فَقَالَ: «لَوْ طَعَنْتَ فِي فَخِذِهَا لَأَجْزَأَ عَنْكَ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُدَ وَالنَّسَائِيُّ وَابْنُ مَاجَهْ وَالدَّارِمِيُّ وَقَالَ أَبُو دَاوُدَ: وَهَذِهِ ذَكَاةُ الْمُتَرَدِّي وَقَالَ التِّرْمِذِيُّ: هَذَا فِي الضَّرُورَة
আবুল 'উশারা তাঁর পিতা হতে বর্ণিতঃ
তিনি জিজ্ঞেস করলেন : হে আল্লাহর রাসূল! গলা গ্রীবা ব্যতীত অন্য কোন স্থানে কি যবেহ করা যায় না? তিনি (ﷺ) বললেন: যদি তুমি তার উরুর মধ্যেও ক্ষত করে দাও তাও তোমার জন্য যথেষ্ট হবে।
[১] য‘ঈফ : নাসায়ী ৪৪০৮, ইবনু মাজাহ ৩১৮৪, দারিমী ১৯৭২, য‘ঈফ আবূ দাঊদ ৪৯৫, ২/৩৮২; মুসনাদে আহমাদ ১৮৯৪৭, মুসনাদে আবূ ইয়া‘লা ৬৯৪৩, তিরমিযী ১৪৮১; এ হাদীসটি য‘ঈফ হওয়ার কারণ হলো হাদীসটির ‘‘আবুল ‘উশারা’’ একজন অপরিচিত ব্যক্তি। ইমাম তিরমিযী বলেন, আমি আবুল ‘উশারাকে তার পিতার থেকে সহীহ হাদীসটি ব্যতীত অন্য কোন হাদীস বর্ণনা করেছেন মর্মে অবগত নই। তিনি আরো বলেন, আবুল ‘উশারা-এর আসল নাম কি- এ ব্যাপারে মুহাদ্দিসগণ মতভেদ করেছেন। কেউ বলেন তার নাম উসামাহ্ ইবনু ক্বিহত্বিম বলা হয়, তার নাম উত্বারিদ। তাকে তার দাদার দিকে নিসবাত (সম্পর্কিত) হয়েছে। (তিরমিযী ১৪৮১ নং হাঃ দ্রঃ)
