২০/২. অধ্যায়ঃ
যেসব প্রাণী খাওয়া হালাল ও হারাম - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
গনীমাত হলো ঐ সম্পদ যা মুশরিকদের সাথে যুদ্ধের মাধ্যমে (তাদের নিকট থেকে) অর্জিত হয় এটা নাল থেকে ‘আম বা ব্যাপক, আর ফাই হলো গনীমাত থেকে ‘আম্। কেননা আহলে শির্ক থেকে মুসলিমদের হাতে অর্জিত সকল সম্পদই গনীমাত। আবূ বাক্ আর্ রাযী (রহঃ) বলেন, গনীমাত ফাই জিয্ইয়াও ফাই, সন্ধি চুক্তিবদ্ধের সম্পদও ফাই, জমির খিরাজ বা খাজনাও ফাই; কেননা এর প্রত্যেকটি মুশরিকদের নিকট থেকে আল্লাহ তা'আলা মুসলিমদের হাতে সমর্পণ করেছেন। ‘আল্লামাহ্ ত্বীবী উল্লেখ করেছেন, ফুকাহাগণের অনেকের মতে মুশরিকদের নিকট থেকে যে মালই গ্রহণ বৈধ সেটাই 'ফাই'। ‘আল্লামাহ্ ইবনুল হুমাম (রহঃ) বলেন : যুদ্ধের মাধ্যমে মুশরিকদের নিকট থেকে যা নেয়া হয় তাকে গনীমাত বলা হয়। আর যুদ্ধ ছাড়া যা অর্জিত হয় যেমন জিয্ইয়াহ্, খিরাজ ইত্যাদি তাকে 'ফাই' বলা হয়। ৩৯৮৫-[১] আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন : আমাদের পূর্বে কারো জন্য গনীমাতের মাল (ভোগ করা) জায়িয ছিল না। আল্লাহ তা'আলা আমাদের দুর্বলতা ও অক্ষমতা দেখে তা আমাদের জন্য জায়িয করে দিয়েছেন। (বুখারী, মুসলিম) ১২২৫
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৪১৩০-[২৭]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৪১৩০-[২৭]
وَعَن خالدِ بْنِ الْوَلِيدِ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ أَكْلِ لُحُومِ الْخَيْلِ والبِغالِ والحميرِ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُد وَالنَّسَائِيّ
খালিদ ইবনু ওয়ালীদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ঘোড়া, খচ্চর এবং গাধার গোত খেতে নিষেধ করেছেন।
[১] য‘ঈফ : আবূ দাঊদ ৩৭৯০, নাসায়ী ৪৩৩২, ইবনু মাজাহ ৩১৯৮, য‘ঈফ আল জামি‘উস্ সগীর ৬৩৩৩, সিলসিলাতুয্ য‘ঈফাহ্ ১১৪৯, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ৩৫৯। হাদীসটি য‘ঈফ হওয়ার কারণ, মূসা ইবনু হারূন (রহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ হাদীসটির একজন বর্ণনাকারী ‘সালিহ’-কে তার দাদার পরিচয় ছাড়া চেনা যায় না। আর ইনি একজন য‘ঈফ বর্ণনাকারী। আস্ সুনানুস্ সুগরা ৩/১৯৪ পৃঃ, হাঃ ৪২৫১।
