২১/০. অধ্যায়ঃ
খাদ্য - প্রথম অনুচ্ছেদ
أطعمة(আত্ব’ইমাহ্) শব্দটি বহুবচন। এর একবচন হলطَعَامٌ(ত্ব’আ-মুন)। অর্থ হলো, যে জিনিস খাওয়া বা ভক্ষণ করা হয়ে থাকে। এখানেأطعمة(আত্ব’ইমাহ্) দ্বারা ভক্ষণীয় ও পানীয় উভয় ধরনের বস্তু উদ্দেশ্য। কিন্তু ভক্ষণীয় জিনিসকে প্রাধান্য দিয়ে লেখক শিরোনাম তৈরি করেছেন। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ)মূলত এ অধ্যায়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেসব খাবার খেয়েছেন, পান করেছেন অথবা খাননি, পানও করেননি তা বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। আর খাবার ও পান করার আদব বা শিষ্টাচার শিক্ষা দেয়া হয়েছে।[সম্পাদক]
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৪১৮৬-[২৮]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৪১৮৬-[২৮]
وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: كُنَّا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِمَرِّ الظَّهْرَانِ نَجْنِي الْكَبَاثَ فَقَالَ: «عَلَيْكُم بالأسْوَدِ مِنْهُ فإِنَّه أَطْيَبُ» فَقِيلَ: أَكُنْتَ تَرْعَى الْغَنَمَ؟ قَالَ: «نَعَمْ وهلْ منْ نبيٍّ إِلاَّ رعاها؟»
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একবার আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে 'মারু যাহরান' নামক স্থানে ছিলাম, এ সময় আমরা কাবাস (পিলু বা বাবলা গাছের ফল) সংগ্রহ করছিলাম। তখন তিনি। (ﷺ)) বললেন : তোমরা শুধুমাত্র কালোগুলোই চয়ন করো। কেননা এটাই উত্তম। (জাবির (রাঃ) বলেন :) তখন তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো, আপনি কি বকরী চরাতেন? (কারণ তারাই তো বন-জঙ্গলের ফল সম্বন্ধে অভিজ্ঞতা রাখে।) তিনি (ﷺ) বললেন : হ্যাঁ, এমন কোন নবীই নেই যিনি বকরী চরাননি।
[১] সহীহ : বুখারী ৩৪০৬, ৫৪৫৩; মুসলিম (২০৫০)-১৬৩, সহীহ ইবনু হিব্বান ৫১৪৪, মুসনাদে আহমাদ ১৪৪৯৭।
