২২/০. অধ্যায়ঃ
পোশাক-অধ্যায় - প্রথম অনুচ্ছেদ
"اللباس(আল লিবা-স) শব্দটিباب سمع(বা-বি সামি’আ)-এর মাসদার। এটি পেশের সাথেও ব্যবহার করা হয়। যার অর্থ পোশাক। আরباب ضرب(বা-বি যরাবা) থেকেلبسا(লাবসান) লামের উপর যবর যোগে আসে। যার অর্থ সংমিশ্রণ করা। মহান আল্লাহ বলেনঃوَلَا تَلْبِسُوا الْحَقَّ بِالْبَاطِلِ وَتَكْتُمُوا الْحَقَّ وَأَنْتُمْ تَعْلَمُونَ’’আর তোমরা হককে বাতিলের সাথে মিশ্রিত করো না এবং জেনে-বুঝে হককে গোপন করো না’’- (সূরাহ্ আল বাকারাহ্ ০২ : ৪২)।বিভিন্ন কারণে ইসলামে কতিপয় পোশাক নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সেগুলো হল- ১. পুরুষের জন্য রেশমের পোশাক ও স্বর্ণমিশ্রিত পোশাক। ২. পুরুষের জন্য মহিলাদের পোশাক। ৩. মহিলাদের জন্য পুরুষের পোশাক। ৪. খ্যাতি ও বড়াই প্রকাশক পোশাক। ৫. ভিন্ন ধর্মীয় পোশাক। ৬. আঁটসাঁট পোশাক ইত্যাদি। [সম্পাদক]"
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৪৩২৬-[২৩]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৪৩২৬-[২৩]
وَعَن أنسٍ قَالَ: رَخَّصَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِلزُّبَيْرِ وَعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ فِي لبس الْحَرِير لحكة بهما وَفِي رِوَايَة لمُسلم قَالَ: إنَّهُمَا شكوا من الْقمل فَرخص لَهما فِي قمص الْحَرِير
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যুবায়র ও ‘আবদুর রহমান ইবনু 'আওফ (রাঃ)-কে তাদের উভয়ের চর্মরোগের দরুন রেশমী কাপড় পরিধানের অনুমতি দিয়েছেন।
[১] সহীহ : বুখারী ৫৮৩৯, মুসলিম (২০৭৬)-২৬, সহীহ ইবনু হিব্বান ৫৪৩২, তিরমিযী ১৭২২, ইবনু মাজাহ ৩৫৯২, মুসনাদে আবূ ইয়া‘লা ২৮৮০, আস্ সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৬২৯১।
