২৩/০. অধ্যায়ঃ
চিকিৎসা ও মন্ত্র - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
নিহায়াতে এসেছে, নাক্বী' হলো এমন পানীয় যা আঙ্গুর বা অন্যান্য হতে প্রস্তুত করা হয় যা পানিতে ভিজানো হয় পাকানো ছাড়া। আর খেজুর, আঙ্গুর, কিসমিস, মধু, গম ও যব ইত্যাদি ভিজিয়ে যে মিঠা শরবত প্রস্তুত করা হয় তা নাবীয। যেমন বলা হয়, আমি আঙ্গুর ও খেজুরকে নাবীয করেছি যখন পানিতে ভিজিয়ে রেখেছি যাতে নাবীয হয়। এ নাবীয অনেক উপকার বিশেষ করে শক্তি বৃদ্ধিতে।মীরাক (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: এটা সর্বসম্মতক্রমে হালাল যতক্ষণ পর্যন্ত মিষ্টি থাকে আর নেশাগ্রস্ত অবস্থায় না পৌঁছে। কেননা রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন: সব নেশাই হারাম । (মিরকাতুল মাফাতীহ)
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৪৫৬৯-[৫৬]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৪৫৬৯-[৫৬]
وَعَن أبي هريرةَ إِنَّ نَاسًا مِنْ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالُوا لرسولِ الله: الْكَمْأَةُ جُدَرِيُّ الْأَرْضِ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الْكَمْأَةُ مِنَ الْمَنِّ وَمَاؤُهَا شِفَاءٌ لِلْعَيْنِ وَالْعَجْوَةُ مِنَ الْجَنَّةِ وَهِيَ شِفَاءٌ مِنَ السُّمِّ» . قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: فَأَخَذْتُ ثَلَاثَةَ أَكْمُؤٍ أَوْ خَمْسًا أَوْ سَبْعًا فَعَصَرْتُهُنَّ وَجَعَلْتُ مَاءَهُنَّ فِي قَارُورَةٍ وَكَحَّلْتُ بِهِ جَارِيَةً لِي عَمْشَاءَ فَبَرَأَتْ. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ حسن
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদিন রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কয়েকজন সহাবী তাঁকে (রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে) বললেন : কামআত (ব্যাঙের ছাতা) হলো জমিনের বসন্ত। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন : ব্যাঙের ছাতা তো মান্ন সদৃশ। এটার পানি চক্ষু রোগের ঔষধবিশেষ। আর ‘আজওয়াহ্ (খেজুর) জান্নাতী ফল। তা বিষনাশক। আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) বলেন : আমি তিনটি অথবা পাঁচটি অথবা সাতটি ব্যাঙের ছাতা নিয়ে তার রস নিংড়িয়ে একটি শিশির মধ্যে রাখলাম। অতঃপর আমার এক রাতকানা দাসীর চোখের মধ্যে সে পানি সুরমার সাথে ব্যবহার করলাম। তাতে সে আরোগ্য লাভ করল।
[১] সহীহ : তিরমিযী ২০৬৮, ইবনু মাজাহ ৩৪৫৩, ইবনু আবূ শায়বাহ্ ২৩৬৯৬, আহমাদ ৮০৫১, আবূ ইয়া‘লা ৬৩৯৮, ‘ত্ববারানী’র আল মু‘জামুল কাবীর ১০৩৭, ‘বায়হাক্বী’র কুবরা ২০০৫২।
