২৬/১. অধ্যায়ঃ
গরিবদের ফজিলত ও নবী (ﷺ)-এর জীবন-যাপন - প্রথম অনুচ্ছেদ
ফাযীলাত বা মর্যাদা দ্বারা উদ্দেশ্য অতিরিক্ত সাওয়াব ও পুরস্কার। ধন-সম্পদের মাধমে অর্জিত মর্যাদার কথা বুঝানো হয়নি। নাবী (সা.)-এর জীবন ’ইবাদতের ক্ষেত্রে ছিল সবচেয়ে সমৃদ্ধ এবং বর্ণাঢ্য। কিন্তু জীবনের সুখ-সামগ্রী ও খানাপিনায় তিনি ছিলেন দরিদ্রের মতো।
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৫২৩৩-[৩]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৫২৩৩-[৩]
وَعَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «قُمْتُ عَلَى بَابِ الْجَنَّةِ فَكَانَ عَامَّةُ مَنْ دَخَلَهَا الْمَسَاكِينَ وَأَصْحَابُ الْجَدِّ مَحْبُوسُونَ غَيْرَ أَنَّ أَصْحَابَ النَّارِ قَدْ أُمِرَ بِهِمْ إِلَى النَّارِ وَقُمْتُ عَلَى بَابِ النَّارِ فَإِذَا عَامَّةُ مَنْ دَخلهَا النِّسَاء» . مُتَّفق عَلَيْهِ متفق علیہ ، رواہ البخاری (6547) و مسلم (93 / 2736)، (6937) ۔ (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
উসামাহ্ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : আমি জান্নাতের দ্বারে দাঁড়াই, দেখলাম; যারা তাতে প্রবেশ করছে তাদের অধিকাংশই গরীব-মিসকীন। আর বিত্তবান-সম্পদশালী লোকেরা আটকা পড়ে আছে। তবে জাহান্নামীদেরকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অতঃপর আমি জাহান্নামের দ্বারে দাঁড়াই তখন (দেখলাম) তাতে যারা প্রবেশ করছে তাদের অধিকাংশ নারী সম্প্রদায়।
সহীহ : বুখারী ৫১৯৬, মুসলিম ৯৩-(২৭৩৬), সহীহুল জামি ৪৪১১, সহীহ আত তারগীব ওয়াত তারহীব ৩১৯১, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ২৫৮৬, সহীহ ইবনু হিব্বান ৬৯২।
