২৬/৫. অধ্যায়ঃ
লোক দেখানো ও শুনানোর ব্যাপারে বর্ণনা - প্রথম অনুচ্ছেদ
রিয়া হচ্ছে মূলত মানুষকে দেখানোর উদ্দেশে কোন নেক আমল করা। আর সুম’আহ্ হচ্ছে, মানুষকে শুনানোর জন্য কোন ভালো কাজ বা ভালো কথা বলা। এতে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা আসল উদ্দেশ্য থাকে না। কখনো উভয় শব্দকে এই অর্থ বুঝানোর জন্য তাগিদ হিসেবে নিয়ে আসা হয়। এর বিপরীত শব্দ হচ্ছে ইখলাস তথা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য একনিষ্ঠভাবে কোন কাজ করা। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ)
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৫৩১৬-[৩]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৫৩১৬-[৩]
وَعَنْ جُنْدُبٍ قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ سَمَّعَ سَمَّعَ اللَّهُ بِهِ وَمَنْ يُرَائِي يُرَائِي اللَّهُ بِهِ» . مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ متفق علیہ ، رواہ البخاری (6499) و مسلم (48 / 2987)، (7477) ۔ (مُتَّفق عَلَيْهِ)
জুনদুব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন : যে ব্যক্তি খ্যাতি অর্জনের জন্য কোন কাজ করে, আল্লাহ তা'আলা তার দোষ-ত্রুটিকে লোক সমাজে প্রকাশ করে দেবেন। আর যে ব্যক্তি মানুষকে দেখানোর জন্য কোন কাজ করে, আল্লাহ তা'আলাও তার সাথে লোক দেখানোর আচরণ করবেন (প্রকৃত সাওয়াব হতে সে বঞ্চিত থাকবে)।
সহীহ: বুখারী ৬৪৯৯, মুসলিম ৪৮-(২৯৮৭), তিরমিযী ২৩৮১, ইবনু মাজাহ ৪২০৬, সহীহুল জামি' ১১৫৫৫, মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ ৩৫২৯৮, মুসনাদে ‘আবদ ইবনু হুমায়দ ৭৭৮, মুসনাদে আহমাদ ১১৩৭৫, আবূ ইয়া'লা ১০৫৯, সহীহ ইবনু হিব্বান ৪০৬, শুআবূল ঈমান ৬৮১৮, আল মু'জামুল কাবীর লিত্ব তবারানী ১৬৭৫।
