২৯/১. অধ্যায়ঃ
নবীকুল শিরোমণি (ﷺ)-র মর্যাদাসমূহ - প্রথম অনুচ্ছেদ
রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর মর্যাদা, তার উত্তম গুণাবলি, তার বদান্যতা ও শ্রেষ্ঠত্বের বিস্তারিত বিবরণ গণনা করা ও আয়ত্ব করা সম্ভব নয়, বরং তা গুণে শেষ করা যাবে না। তবে লেখক এখানে রাসূলের মর্যাদা অধ্যায় রচনার উদ্দেশ্য তাঁর মর্যাদা ও ফযীলতের কিছু দিক তুলে ধরেছেন যাতে এগুলোর মাধ্যমে অন্যগুলো উপলব্ধি করা যায়।
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৫৭৪৯-[১১]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৫৭৪৯-[১১]
وَعَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «بُعِثْتُ بِجَوَامِعِ الْكَلِمِ وَنُصِرْتُ بِالرُّعْبِ وبَينا أَنا نائمٌ رأيتُني أُوتيتُ بِمَفَاتِيحِ خَزَائِنِ الْأَرْضِ فَوُضِعَتْ فِي يَدِي» مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ. متفق علیہ ، رواہ البخاری (122) و مسلم (6 / 523)، (1171) ۔ (مُتَّفق عَلَيْهِ)
উক্ত রাবী (আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : আমাকে ব্যাপক অর্থবোধক বাক্যের দক্ষতাসহ প্রেরণ করা হয়েছে এবং ব্যক্তিত্বের প্রভাব দ্বারা সাহায্য করা হয়েছে। একরাত্রে আমি যখন নিদ্রিতাবস্থায় তখন ধনভাণ্ডারের চাবিসমূহ আনা হয়, অতঃপর তা আমার হাতে রেখে দেয়া হয়।
সহীহঃ বুখারী ২৯৭৭, মুসলিম ৫-(৫২৩), নাসায়ী ৩০৮৭, মুসনাদে আহমাদ ৭৫৭৫, সহীহ ইবনু হিব্বান ৬৩৬৩, শুআবুল ঈমান ১৩৯, আস্ সুনানুল কুবরা লিন্ নাসায়ী ৪২৯৫।
