২৯/১. অধ্যায়ঃ
নবীকুল শিরোমণি (ﷺ)-র মর্যাদাসমূহ - প্রথম অনুচ্ছেদ
রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর মর্যাদা, তার উত্তম গুণাবলি, তার বদান্যতা ও শ্রেষ্ঠত্বের বিস্তারিত বিবরণ গণনা করা ও আয়ত্ব করা সম্ভব নয়, বরং তা গুণে শেষ করা যাবে না। তবে লেখক এখানে রাসূলের মর্যাদা অধ্যায় রচনার উদ্দেশ্য তাঁর মর্যাদা ও ফযীলতের কিছু দিক তুলে ধরেছেন যাতে এগুলোর মাধ্যমে অন্যগুলো উপলব্ধি করা যায়।
মিশকাতুল মাসাবিহ : ৫৭৫১-[১৩]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ৫৭৫১-[১৩]
وَعَنْ سَعْدٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَرَّ بِمَسْجِدِ بَنِي مُعَاوِيَةَ دَخَلَ فَرَكَعَ فِيهِ رَكْعَتَيْنِ وَصَلَّيْنَا مَعَهُ وَدَعَا رَبَّهُ طَوِيلًا ثُمَّ انْصَرَفَ فَقَالَ: «سَأَلْتُ رَبِّي ثَلَاثًا فَأَعْطَانِي ثِنْتَيْنِ وَمَنَعَنِي وَاحِدَةً سَأَلْتُ رَبِّي أَنْ لَا يُهْلِكَ أُمَّتِي بِالسَّنَةِ فَأَعْطَانِيهَا وَسَأَلْتُهُ أَنْ لَا يُهْلِكَ أُمَّتِي بِالْغَرَقِ فَأَعْطَانِيهَا وَسَأَلْتُهُ أَنْ لَا يَجْعَلَ بأسهم بَينهم فَمَنَعَنِيهَا» . رَوَاهُ مُسلم رواہ مسلم (20 / 2890)، (7260) ۔ (صَحِيح)
সা'দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বানূ মু'আবিয়ার মসজিদের কাছে দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তাতে প্রবেশ করে দুই রাক্‘আত সালাত আদায় করলেন এবং তাঁর সাথে আমরাও সালাত আদায় করলাম। সালাত শেষে তিনি ((ﷺ)) এক দীর্ঘ দোয়া করলেন, অতঃপর আমাদের দিকে ফিরে বললেন,আমি আমার প্রভুর কাছে তিনটি বিষয়ে ফরিয়াদ করেছিলাম। তিনি আমার দু'টি দোয়া ক্ববূল করেছেন এবং একটি প্রত্যাখ্যান করেছেন।১. আমি আমার প্রভুর কাছে চেয়েছিলাম, ব্যাপক দুর্ভিক্ষ দ্বারা যেন আমার উম্মাতকে ধ্বংস না করা হয়। আমার এ দোয়াটি তিনি গ্রহণ করেছেন।২. আমি আমার প্রভুর কাছে এটাও চেয়েছিলাম যেন আমার উম্মাতকে পানিতে ডুবিয়ে ধ্বংস না করা হয়। তিনি আমার এ দোয়াও গ্রহণ করেছেন।৩. আমি তাঁর কাছে চেয়েছিলাম যেন আমার উম্মাতের একে অপরের মধ্যে যুদ্ধবিগ্রহ না হয়। কিন্তু তিনি তা আমাকে দান করেননি।
সহীহ: মুসলিম ২০-(২৮৯০) মুসনাদে আহমাদ ১৫৭৪, ১২৫০৮, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ ১৭২৪, মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ ২৯৫০৯, মুসনাদে বাযযার ১১২৫, আবূ ইয়া'লা ৭৩৪, সহীহ ইবনু খুযায়মা ১২১৭, আল মু'জামুল কাবীর লিত্ব ত্ববারানী ১৬৬৯৯, আল মুসতাদরাক লিল হাকিম ৮৫৭৬।
