২৪/১৫৮. অধ্যায়ঃ
অন্য দুই রুকনকে স্পর্শ পরিত্যাগ করা
সুনানে নাসাঈ : ২৯৫১
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ২৯৫১
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَمْرٍو، وَالْحَارِثُ بْنُ مِسْكِينٍ، قِرَاءَةً عَلَيْهِ وَأَنَا أَسْمَعُ، عَنْ ابْنِ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: «لَمْ يَكُنْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَسْتَلِمُ مِنْ أَرْكَانِ الْبَيْتِ، إِلَّا الرُّكْنَ الْأَسْوَدَ، وَالَّذِي يَلِيهِ مِنْ نَحْوِ دُورِ الْجُمَحِيِّينَ»
আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হাজরে আসওয়াদ এবং এর নিকটবর্তী রুকন, যা জুমাহীদের কাছাকাছি অবস্থিত, এ দু'টি ছাড়া বায়তুল্লাহর অন্য কোনো রুকন স্পর্শ করতেন না।
[১] রুকন অর্থ পার্শ্ব- দুই প্রাচীরের সংযোগ স্থল বা কোনকে রুকন বলা হয়। কা’বা ঘরে চারটি রুকন রয়েছে। (১) রুকন-ই (হাজরে) আসওয়াদ (২) রুকন-ই ইয়ামানী (৩) রুকন-ই শামী ও (৪) রুকন-ই ইরাকী। রুকন-ই আসওয়াদকে স্পর্শ করা হয় ও চুম্বন করা হয়। দ্বিতীয় রুকনে স্পর্শ করা হয় চুমা দেওয়া হয় না, তৃতীয় ও চতুর্থ রুকনকে স্পর্শও করা হয় না চুমাও দেওয়া হয় না। উল্লেখ্য যে, প্রথম ও দ্বিতীয় রুকনকে একত্রে ইয়ামানী রুকন, তৃতীয় ও চতুর্থকে একত্রে শামী রুকন বলা হয়।
