২৭/২৬. অধ্যায়ঃ
ত্বলাক্ব গ্রহণের জন্য প্রদত্ত ইখতিয়ারে মত প্রকাশের জন্য নির্ধারিত সময়।
সুনানে নাসাঈ : ৩৪৪০
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ৩৪৪০
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى، قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ ثَوْرٍ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: لَمَّا نَزَلَتْ {إِنْ كُنْتُنَّ تُرِدْنَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ} [الأحزاب: 29] دَخَلَ عَلَيَّ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَدَأَ بِي فَقَالَ: «يَا عَائِشَةُ، إِنِّي ذَاكِرٌ لَكِ أَمْرًا، فَلَا عَلَيْكِ أَنْ لَا تُعَجِّلِي حَتَّى تَسْتَأْمِرِي أَبَوَيْكِ» قَالَتْ: قَدْ عَلِمَ وَاللَّهِ أَنَّ أَبَوَيَّ لَمْ يَكُونَا لِيَأْمُرَانِّي بِفِرَاقِهِ، فَقَرَأَ عَلَيَّ {يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِأَزْوَاجِكَ إِنْ كُنْتُنَّ تُرِدْنَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا وَزِينَتَهَا} [الأحزاب: 28] فَقُلْتُ: أَفِي هَذَا أَسْتَأْمِرُ أَبَوَيَّ؟ فَإِنِّي أُرِيدُ اللَّهَ وَرَسُولَهُ قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ: «هَذَا خَطَأٌ وَالْأَوَّلُ أَوْلَى بِالصَّوَابِ، وَاللَّهُ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى أَعْلَمُ»
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
যখন আয়াত নাযিল হলঃ﴿إِنْ كُنْتُنَّ تُرِدْنَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ﴾“আর তোমরা যদি আল্লাহ, তাঁর রাসূল..."- (সূরা আল আহযাব ৩৩: ২৯)।নবী (ﷺ) আমার কাছে এসে আমাকেই প্রথম বললেনঃ হে আয়িশা! আমি তোমার কাছে একটি বিষয় উল্লেখ করব, তুমি তোমার মাতাপিতার সাথে পরামর্শ করে উত্তর দেবে, এতে তাড়াহুড়া করবে না। আল্লাহর কসম! রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জানতেন, আমার মাতাপিতা কখনও আমাকে তাঁর থেকে আলাদা হওয়ার অনুমতি দিবেন না। তিনি (ﷺ) এরপরও আমার নিকট এ আয়াত তিলাওয়াত করলেনঃ﴿يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ قُلْ لِأَزْوَاجِكَ إِنْ كُنْتُنَّ تُرِدْنَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا وَزِينَتَهَا﴾“হে নবী! তুমি তোমার স্ত্রীদের বলে দাও- তোমরা যদি পার্থিব জীবন আর তার শোভা সৌন্দর্য কামনা কর, তাহলে এসো, তোমাদেরকে ভোগসামগ্রী দিয়ে দেই”- (সূরা আল আহযাব ৩৩: ২৮)।তখন আমি বললামঃ এ ব্যাপারে আমি আমার মাতাপিতার সাথে কি পরামর্শ করব? আমি আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলকেই গ্রহণ করছি। আবু আব্দুর রহমান (রহঃ) বলেনঃ এ রেওয়ায়াত ভুল, বরং প্রথম বর্ণনাটিই সঠিক। আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত।
