৫/৬. অধ্যায়ঃ
পাঁচ ওয়াক্ত সলাতের হিফাযাত করা
সুনানে নাসাঈ : ৪৬১
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ৪৬১
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ، عَنِ ابْنِ مُحَيْرِيزٍ، أَنَّ رَجُلًا مِنْ بَنِي كِنَانَةَ يُدْعَى الْمُخْدَجِيَّ: سَمِعَ رَجُلًا بِالشَّامِ يُكْنَى أَبَا مُحَمَّدٍ يَقُولُ الْوِتْرُ وَاجِبٌ. قَالَ الْمُخْدَجِيُّ: فَرُحْتُ إِلَى عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ فَاعْتَرَضْتُ لَهُ وَهُوَ رَائِحٌ إِلَى الْمَسْجِدِ فَأَخْبَرْتُهُ بِالَّذِي قَالَ أَبُو مُحَمَّدٍ: فَقَالَ عُبَادَةُ: كَذَبَ أَبُو مُحَمَّدٍ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «خَمْسُ صَلَوَاتٍ كَتَبَهُنَّ اللَّهُ عَلَى الْعِبَادِ مَنْ جَاءَ بِهِنَّ لَمْ يُضَيِّعْ مِنْهُنَّ شَيْئًا اسْتِخْفَافًا بِحَقِّهِنَّ كَانَ لَهُ عِنْدَ اللَّهِ عَهْدٌ أَنْ يُدْخِلَهُ الْجَنَّةَ، وَمَنْ لَمْ يَأْتِ بِهِنَّ فَلَيْسَ لَهُ عِنْدَ اللَّهِ عَهْدٌ إِنْ شَاءَ عَذَّبَهُ، وَإِنْ شَاءَ أَدْخَلَهُ الْجَنَّةَ»
ইব্ন মুহায়রিয (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
মুখদাজী নামক বনু কিনানার একজন ব্যক্তি আবু মুহাম্মাদ নামক এক ব্যক্তিকে সিরিয়ায় বলতে শুনলেন যে, বিতরের সালাত ওয়াজিব। মুখদাজী বলেন, আমি এ কথা শুনে উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। আমি যখন তাঁর কাছে পৌঁছাই তখন তিনি মসজিদে যাচ্ছিলেন। তখন আমি তাঁকে আবু মুহাম্মাদের বক্তব্য শুনালাম।উবাদাহ (রাঃ) বললেন, আবু মুহাম্মাদ মিথ্যা বলেছেন। আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, আল্লাহ তা'আলা বান্দার উপর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরজ করেছেন। যে ব্যক্তি এ পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করবে এবং এগুলোর মধ্যে কোনো সালাত অবহেলা করে ছেড়ে দিবে না, তার জন্য আল্লাহর ওয়াদা হলো- তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। যে ব্যক্তি এ পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করবে না, তার জন্য আল্লাহর কোনো ওয়াদা নেই। ইচ্ছা করলে তাকে শাস্তি দিতে পারেন, আবার ইচ্ছা করলে জান্নাতেও প্রবেশ করাতে পারেন।
[১] অর্থাৎ অন্যান্য ফরযের ন্যায় ফরয।[২] আসলে দুই কথার মধ্যে কোন বিরোধ নেই। কেননা আবূ মুহাম্মদ বিতরকে ফরয নয়, বরং ওয়াজিব বলেছেন, যা ফরয অপেক্ষা নিম্নস্তরের, আর ‘উবাদা (রাঃ) ফরয হওয়াকে রদ করেছেন। অনেক সময় ওয়াজিব দ্বারা ফরযও বুঝানো হয়। সে কারণেই এ ভূল বোঝাবুঝির সৃষ্টি।
