৮/৩৮. অধ্যায়ঃ

সলাত ব্যতীত মাসজিদে বসা ও বের হওয়ার অনুমতি প্রদান

সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ৭৩১

أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ دَاوُدَ قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ يُونُسَ قَالَ: ابْنُ شِهَابٍ، وَأَخْبَرَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ كَعْبٍ قَالَ: سَمِعْتُ كَعْبَ بْنَ مَالِكٍ يُحَدِّثُ حَدِيثَهُ حِينَ تَخَلَّفَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي غَزْوَةِ تَبُوكَ قَالَ: وَصَبَّحَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَادِمًا، وَكَانَ إِذَا قَدِمَ مِنْ سَفَرٍ بَدَأَ بِالْمَسْجِدِ فَرَكَعَ فِيهِ رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ جَلَسَ لِلنَّاسِ، فَلَمَّا فَعَلَ ذَلِكَ جَاءَهُ الْمُخَلَّفُونَ، فَطَفِقُوا يَعْتَذِرُونَ إِلَيْهِ وَيَحْلِفُونَ لَهُ، وَكَانُوا بِضْعًا وَثَمَانِينَ رَجُلًا، فَقَبِلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَانِيَتَهُمْ وَبَايَعَهُمْ وَاسْتَغْفَرَ لَهُمْ وَوَكَلَ سَرَائِرَهُمْ إِلَى اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ حَتَّى جِئْتُ، فَلَمَّا سَلَّمْتُ تَبَسَّمَ تَبَسُّمَ الْمُغْضَبِ، ثُمَّ قَالَ: «تَعَالَ». فَجِئْتُ حَتَّى جَلَسْتُ بَيْنَ يَدَيْهِ فَقَالَ لِي: «مَا خَلَّفَكَ؟ أَلَمْ تَكُنِ ابْتَعْتَ ظَهْرَكَ؟» فَقُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، إِنِّي وَاللَّهِ لَوْ جَلَسْتُ عِنْدَ غَيْرِكَ مِنْ أَهْلِ الدُّنْيَا لَرَأَيْتُ أَنِّي سَأَخْرُجُ مِنْ سَخَطِهِ وَلَقَدْ أُعْطِيتُ جَدَلًا، وَلَكِنْ وَاللَّهِ لَقَدْ عَلِمْتُ لَئِنْ حَدَّثْتُكَ الْيَوْمَ حَدِيثَ كَذِبٍ لِتَرْضَى بِهِ عَنِّي لَيُوشَكُ أَنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ يُسْخِطُكَ عَلَيَّ، وَلَئِنْ حَدَّثْتُكَ حَدِيثَ صِدْقٍ تَجِدُ عَلَيَّ فِيهِ إِنِّي لَأَرْجُو فِيهِ عَفْوَ اللَّهِ وَاللَّهِ مَا كُنْتُ قَطُّ أَقْوَى وَلَا أَيْسَرَ مِنِّي حِينَ تَخَلَّفْتُ عَنْكَ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَمَّا هَذَا فَقَدْ صَدَقَ، فَقُمْ حَتَّى يَقْضِيَ اللَّهُ فِيكَ» فَقُمْتُ فَمَضَيْتُ. مُخْتَصَرٌ

আবদুল্লাহ ইব্‌ন কা’ব (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি কা'ব ইবনু মালিক (রাঃ)-কে বর্ণনা করতে শুনেছি যখন তিনি তাবুক যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সঙ্গে যোগদান হতে ক্ষান্ত রইলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ভোরে তাবুক থেকে আসলেন। তিনি যখন কোন সফর থেকে ফিরে আসতেন প্রথমে মসজিদে প্রবেশ করে দুই রাকাত সালাত আদায় করতেন। তারপর লোকদের সাথে বসতেন। এবার যখন তিনি (ﷺ) এমন করলেন, তখন যারা জিহাদে যোগদান করেননি তারা এসে তাঁর নিকট যোগদান না করার কারণ পেশ করতে লাগলেন এবং তাঁর নিকট শপথ করতে লাগল। তাঁরা সংখ্যায় আশি জনের অধিক ছিলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁদের বাহ্যিক কারণগুলো মেনে নিলেন এবং তাঁদের বায়আত নিলেন এবং তাদের জন্য ক্ষমা চাইলেন আর তাঁদের ভিতরের ব্যাপার আল্লাহর নিকট অর্পণ করলেন। এমন সময় আমি সেখানে আসলাম। আমি যখন সালাম করলাম তিনি রাগের হাসি হাসলেন। তারপর বললেন, আসো। আমি এসে তাঁর সম্মুখে বসে পড়লাম। তিনি বললেন, তোমাকে কিসে ফিরিয়ে রাখল? তুমি কি সাওয়ারী সংগ্রহ করেছিলে না?আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! আল্লাহর কসম, আমি জানি যে, আপনি ছাড়া যদি অন্য কোন দুনিয়াদারের সম্মুখে বসা থাকতাম তা হলে মনে করি যে, আমি তার রাগ হতে বের হয়ে যেতে পারতাম। আমার বিতর্ক করার শক্তি আছে। কিন্তু আল্লাহর কসম! আমি জানি আজ যদি আমি আপনার নিকট মিথ্যা কথা বলি তাহলে তাতে আপনি খুশি হয়ে যাবেন কিন্তু অচিরেই আল্লাহ তা'আলা আপনাকে আমার ওপর রাগান্বিত করে দিবেন। আর যদি সত্য কথা বলি, তাহলে আপনি হয়ত আমার ওপর রাগান্বিত হবেন। তবে আমি আল্লাহর ক্ষমা কামনা করি। আল্লাহর কসম! আমি যখন আপনার সাথে যুদ্ধে যাওয়া থেকে বিরত ছিলাম তখনকার চাইতে কোন সময় বেশি শক্তিশালী অথবা বেশি সম্পদশালী ছিলাম না। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, এ ব্যক্তি সত্য কথা বলেছে। উঠ, তোমার বিষয়ে আল্লাহ কোন ফয়সালা করা পর্যন্ত অপেক্ষা কর। তখন আমি উঠে গেলাম।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন