১৬/১১. অধ্যায়ঃ
'আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে আর এক প্রকার বর্ণনা
সুনানে নাসাঈ : ১৪৭৪
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ১৪৭৪
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: خَسَفَتِ الشَّمْسُ فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَصَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالنَّاسِ، فَقَامَ فَأَطَالَ الْقِيَامَ، ثُمَّ رَكَعَ فَأَطَالَ الرُّكُوعَ، ثُمَّ قَامَ فَأَطَالَ الْقِيَامَ وَهُوَ دُونَ الْقِيَامِ الْأَوَّلِ، ثُمَّ رَكَعَ فَأَطَالَ الرُّكُوعَ وَهُوَ دُونَ الرُّكُوعِ الْأَوَّلِ، ثُمَّ رَفَعَ فَسَجَدَ، ثُمَّ فَعَلَ ذَلِكَ فِي الرَّكْعَةِ الْأُخْرَى مِثْلَ ذَلِكَ، ثُمَّ انْصَرَفَ وَقَدْ تَجَلَّتِ الشَّمْسُ، فَخَطَبَ النَّاسَ، فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ، ثُمَّ قَالَ: «إِنَّ الشَّمْسَ وَالْقَمَرَ آيَتَانِ مِنْ آيَاتِ اللَّهِ لَا يَخْسِفَانِ لِمَوْتِ أَحَدٍ وَلَا لِحَيَاتِهِ، فَإِذَا رَأَيْتُمْ ذَلِكَ فَادْعُوا اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ وَكَبِّرُوا وَتَصَدَّقُوا»، ثُمَّ قَالَ: «يَا أُمَّةَ مُحَمَّدٍ، مَا مِنْ أَحَدٍ أَغْيَرُ مِنَ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ أَنْ يَزْنِيَ عَبْدُهُ أَوْ تَزْنِيَ أَمَتُهُ، يَا أُمَّةَ مُحَمَّدٍ وَاللَّهِ لَوْ تَعْلَمُونَ مَا أَعْلَمُ لَضَحِكْتُمْ قَلِيلًا وَلَبَكَيْتُمْ كَثِيرًا»
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর যুগে একবার সূর্যগ্রহণ লাগল। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) লোকেদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন, তিনি দাঁড়ালেন এবং অনেকক্ষণ দাঁড়ালেন। তারপর রুকু করলেন এবং রুকু লম্বা করলেন, তারপর দাঁড়ালেন যার দাঁড়ানোকে লম্বা করলেন এবং তা ছিল পূর্ববর্তী দাঁড়ানো থেকে সংক্ষিপ্ত। তারপর রুকু করলেন এবং রুকু দীর্ঘায়িত করলেন, কিন্তু তা পূর্ববর্তী রুকু থেকে সংক্ষিপ্ত ছিল। তারপর মাথা উঠালেন ও সিজদা দিলেন, এরপর দ্বিতীয় রাকাতেও অনুরূপ করলেন। এভাবে সালাত শেষ করলেন। ইতোমধ্যে সূর্য আলোকিত হয়ে গেল।এরপর তিনি মানুষদের সম্মুখে খুতবা দিলেন। তাতে আল্লাহ তা’আলার প্রশংসা এবং মহিমা প্রকাশ করলেন। এরপর বললেন, সূর্য এবং চন্দ্র আল্লাহ তা’আলার নিদর্শনসমূহের দুটি নিদর্শন, কারও জন্ম মৃত্যুর কারণে তাদের গ্রহণ হয় না। অতএব, তোমরা যখন তা দেখবে তখন আল্লাহ তা’আলার কাছে দোয়া করবে এবং তাকবির বলবে ও সদাকা করবে। পরে তিনি বললেন, হে উম্মাতে মুহাম্মাদ! আল্লাহ তা’আলার কোন বান্দা কিংবা কোন নারী ব্যভিচারে লিপ্ত হোক- এ কাজ থেকে আল্লাহর চেয়ে কঠোর নিষেধকারী আর কেউ নেই। হে উম্মাতে মুহাম্মাদ! আল্লাহর কসম। যদি তোমরা ঐ সকল বিষয়ে জানতে, যে বিষয়ে আমি জানি, তাহলে নিশ্চয় তোমরা কম হাসতে এবং অধিক কাঁদতে।
