১৬/১৫. অধ্যায়ঃ
অন্য আর এক প্রকার বিবরণ
সুনানে নাসাঈ : ১৪৮৪
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ১৪৮৪
أَخْبَرَنَا هِلَالُ بْنُ الْعَلَاءِ بْنِ هِلَالٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ عَيَّاشٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْأَسْوَدُ بْنُ قَيْسٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي ثَعْلَبَةُ بْنُ عَبَّادٍ الْعَبْدِيُّ مِنْ أَهْلِ الْبَصْرَةِ أَنَّهُ شَهِدَ خُطْبَةً يَوْمًا لِسَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ، فَذَكَرَ فِي خُطْبَتِهِ حَدِيثًا عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ سَمُرَةُ بْنُ جُنْدُبٍ: بَيْنَا أَنَا يَوْمًا وَغُلَامٌ مِنَ الْأَنْصَارِ نَرْمِي غَرَضَيْنِ لَنَا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، حَتَّى إِذَا كَانَتِ الشَّمْسُ قِيدَ رُمْحَيْنِ أَوْ ثَلَاثَةٍ فِي عَيْنِ النَّاظِرِ مِنَ الْأُفُقِ اسْوَدَّتْ، فَقَالَ أَحَدُنَا لِصَاحِبِهِ: انْطَلِقْ بِنَا إِلَى الْمَسْجِدِ، فَوَاللَّهِ لَيُحْدِثَنَّ شَأْنُ هَذِهِ الشَّمْسِ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي أُمَّتِهِ حَدَثًا، قَالَ: فَدَفَعْنَا إِلَى الْمَسْجِدِ، قَالَ: فَوَافَيْنَا رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ حِينَ خَرَجَ إِلَى النَّاسِ، قَالَ: " فَاسْتَقْدَمَ فَصَلَّى، فَقَامَ كَأَطْوَلِ قِيَامٍ قَامَ بِنَا فِي صَلَاةٍ قَطُّ، مَا نَسْمَعُ لَهُ صَوْتًا، ثُمَّ رَكَعَ بِنَا كَأَطْوَلِ رُكُوعٍ مَا رَكَعَ بِنَا فِي صَلَاةٍ قَطُّ، مَا نَسْمَعُ لَهُ صَوْتًا، ثُمَّ سَجَدَ بِنَا كَأَطْوَلِ سُجُودٍ مَا سَجَدَ بِنَا فِي صَلَاةٍ قَطُّ، لَا نَسْمَعُ لَهُ صَوْتًا، ثُمَّ فَعَلَ ذَلِكَ فِي الرَّكْعَةِ الثَّانِيَةِ مِثْلَ ذَلِكَ، قَالَ: فَوَافَقَ تَجَلِّي الشَّمْسِ جُلُوسَهُ فِي الرَّكْعَةِ الثَّانِيَةِ، فَسَلَّمَ فَحَمِدَ اللَّهَ، وَأَثْنَى عَلَيْهِ، وَشَهِدَ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَشَهِدَ أَنَّهُ عَبْدُ اللَّهِ وَرَسُولُهُ " مُخْتَصَرٌ
আসওয়াদ ইব্ন কায়স (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
বাসরার অধিবাসী সাবলাবা ইবনু আব্বাদ আব্দী (রহঃ) একদিন সামুরা ইবনু জুনদুব (রাঃ)-এর খুতবায় হাজির ছিলেন। তিনি তাঁর খুতবায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে একটি হাদিস বর্ণনা করলেন।সামুরা (রাঃ) বললেন, আমি এবং এক আনসারী গোলাম রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর যুগে একদিন আমাদের লক্ষ্যস্থলে তীর নিক্ষেপ করছিলাম। ইতোমধ্যে যখন সূর্য দিগন্তে দর্শকদের দৃষ্টিতে দুই কি তিন বর্শার পরিমাণ মাত্র অবশিষ্ট রয়ে গেল, তা কালো হয়ে গেল। তখন আমাদের একজন তাঁর সাথীকে বলল, তুমি আমাদের সাথে মসজিদে চল। আল্লাহর কসম! নিশ্চয় রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর যুগে সূর্যের এ অবস্থা তাঁর উম্মতের জন্যে কোনো নতুন ঘটনার ইঙ্গিতবহ।তখন আমরা মসজিদে গেলাম এবং রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে এমন অবস্থায় পেলাম যে, তিনি অগ্রসর হয়ে সালাতে দাঁড়ালেন। তিনি সালাতে এত দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলেন যে, ইতোপূর্বে তিনি আমাদের নিয়ে সালাতে এতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেননি। তাঁর কোনো শব্দ আমরা শুনছিলাম না। অতঃপর তিনি আমাদেরসহ এত দীর্ঘ রুকু করলেন যে, ইতোপূর্বে কোনো সালাতে আমাদের নিয়ে এত লম্বা রুকু করেননি। আমরা তাঁর কোনো আওয়াজ শুনছিলাম না। এরপর তিনি আমাদের নিয়ে এত দীর্ঘ সিজদা করলেন যে, ইতোপূর্বে কোনো সালাতে এরূপ দীর্ঘ সিজদা করেননি। তাঁর কোনো আওয়াজ আমরা শুনছিলাম না। তারপর তিনি অনুরূপভাবে দ্বিতীয় রাকাতেও করলেন।তাঁর দ্বিতীয় রাকাতে বসা অবস্থায় সূর্যের আলো বিকশিত হয়ে গেল। পরে তিনি সালাম ফিরালেন এবং আল্লাহ তাআলার প্রশংসা ও গুণকীর্তন করলেন এবং এ কথার সাক্ষ্য দিলেন যে, আল্লাহ ভিন্ন প্রকৃতপক্ষে কোনো মাবুদ নেই এবং এ কথারও সাক্ষ্য দিলেন যে, তিনি আল্লাহর বান্দা এবং তাঁর রাসূল। (সংক্ষিপ্ত)
