২৯/৪. অধ্যায়ঃ
মাসজিদের জন্য ওয়াকফ করা
সুনানে নাসাঈ : ৩৬০৬
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ৩৬০৬
أَخْبَرَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: أَنْبَأَنَا الْمُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: سَمِعْتُ أَبِي، يُحَدِّثُ، عَنْ حُصَيْنِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عُمَرَ بْنِ جَاوَانَ، رَجُلٍ مِنْ بَنِي تَمِيمٍ - وَذَاكَ أَنِّي قُلْتُ لَهُ: أَرَأَيْتَ اعْتِزَالَ الْأَحْنَفِ بْنِ قَيْسٍ مَا كَانَ؟ - قَالَ: سَمِعْتُ الْأَحْنَفَ، يَقُولُ: أَتَيْتُ الْمَدِينَةَ وَأَنَا حَاجٌّ، فَبَيْنَا نَحْنُ فِي مَنَازِلِنَا، نَضَعُ رِحَالَنَا إِذْ أَتَى آتٍ فَقَالَ: قَدِ اجْتَمَعَ النَّاسُ فِي الْمَسْجِدِ، فَاطَّلَعْتُ فَإِذَا - يَعْنِي - النَّاسَ مُجْتَمِعُونَ، وَإِذَا بَيْنَ أَظْهُرِهِمْ نَفَرٌ قُعُودٌ، فَإِذَا هُوَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ، وَالزُّبَيْرُ، وَطَلْحَةُ، وَسَعْدُ بْنُ أَبِي وَقَّاصٍ رَحْمَةُ اللَّهِ عَلَيْهِمْ، فَلَمَّا قُمْتُ عَلَيْهِمْ قِيلَ: هَذَا عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ، قَدْ جَاءَ، قَالَ: فَجَاءَ وَعَلَيْهِ مُلَيَّةٌ صَفْرَاءُ، فَقُلْتُ لِصَاحِبِي: كَمَا أَنْتَ حَتَّى أَنْظُرَ مَا جَاءَ بِهِ؟ فَقَالَ عُثْمَانُ: أَهَاهُنَا عَلِيٌّ؟ أَهَاهُنَا الزُّبَيْرُ؟ أَهَاهُنَا طَلْحَةُ؟ أَهَاهُنَا سَعْدٌ؟ قَالُوا: نَعَمْ، قَالَ: فَأَنْشُدُكُمْ بِاللَّهِ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ، أَتَعْلَمُونَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ يَبْتَاعُ مِرْبَدَ بَنِي فُلَانٍ غَفَرَ اللَّهُ لَهُ؟» فَابْتَعْتُهُ، فَأَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقُلْتُ: إِنِّي ابْتَعْتُ مِرْبَدَ بَنِي فُلَانٍ، قَالَ: «فَاجْعَلْهُ فِي مَسْجِدِنَا وَأَجْرُهُ لَكَ»، قَالُوا: نَعَمْ، قَالَ: فَأَنْشُدُكُمْ بِاللَّهِ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ، هَلْ تَعْلَمُونَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: «مَنْ يَبْتَاعُ بِئْرَ رُومَةَ غَفَرَ اللَّهُ لَهُ؟» فَأَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقُلْتُ: قَدْ ابْتَعْتُ بِئْرَ رُومَةَ، قَالَ: «فَاجْعَلْهَا سِقَايَةً لِلْمُسْلِمِينَ وَأَجْرُهَا لَكَ»، قَالُوا: نَعَمْ، قَالَ: فَأَنْشُدُكُمْ بِاللَّهِ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ، هَلْ تَعْلَمُونَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ يُجَهِّزُ جَيْشَ الْعُسْرَةِ غَفَرَ اللَّهُ لَهُ؟» فَجَهَّزْتُهُمْ حَتَّى مَا يَفْقِدُونَ عِقَالًا وَلَا خِطَامًا، قَالُوا: نَعَمْ، قَالَ: اللَّهُمَّ اشْهَدْ، اللَّهُمَّ اشْهَدْ، اللَّهُمَّ اشْهَدْ
হুসায়ন ইব্ন আবদুর রহমান বনী তামীমের আমর ইব্ন জাওয়ান (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
হুসাইন ইবন আবদুর রহমান (রহঃ)-এর বানু তামীম-এর আমর ইবন জাওয়ান (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন। প্রসঙ্গ এই যে, আমি তাকে বললাম : আপনি আহনাফ ইবনে কায়স (রাঃ)-এর পৃথক হওয়া সম্পর্কে আপনার মতামত ব্যক্ত করুন। তিনি বললেন : আমি আহনাফকে বলতে শুনেছি। আমি হজ্জ উপলক্ষে মদিনায় এলাম। আমরা আমাদের নিজ অবস্থানে ছিলাম, এমন সময় এক ব্যক্তি এসে বলল : লোকেরা মসজিদে একত্রিত হচ্ছে। আমি গিয়ে দেখলাম, লোকেরা মসজিদে জড়ো হয়েছে। তাঁদের মাঝে রয়েছেন- আলী ইবন আবু তালিব, যুবাইর, তালহা এবং সাদ ইবন আবু ওয়াক্কাস (রাঃ)। আল্লাহ তাদের ওপর রহম করুন। আমি যখন তাদের নিকট দাঁড়ালাম তখন বলা হলো : এই যে, উসমান ইবন আফফান এসে গেছেন। তাঁর গায়ে ছিল হলুদ বর্ণের চাদর।রাবী বলেন : আমি আমার সাথীকে বললাম, তুমি এখানে অবস্থান কর, দেখি উসমান (রাঃ) কি বলেন। উসমান (রাঃ) বললেন : এখানে কি আলী (রাঃ) আছেন? যুবাইর (রাঃ) আছেন? তালহা (রাঃ) আছেন? এবং এখানে কি সাদ (রাঃ) আছেন? তারা বললেন : হ্যাঁ [আমরা আছি]। তিনি বললেন : আমি তোমাদেরকে আল্লাহ তা'আলার কসম দিয়ে বলছি, যিনি ছাড়া অন্য কোনো ইলাহ নেই, তোমাদের কি জানা আছে যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন : যে ব্যক্তি অমুক গোত্রের উটের বাথান ক্রয় করবে, আল্লাহ তাকে মাফ করে দেবেন? আমি তা ক্রয় করে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট এসে বললাম : আমি অমুক উটের বাথান খরিদ করেছি। তিনি (ﷺ) বললেন : এখন তুমি তা আমাদের মসজিদের জন্য ওয়াকফ করে দাও, তাহলে এর সাওয়াব তুমি পাবে। তাঁরা বললেন : হ্যাঁ [আমরা জানি]।তিনি আবার বললেন : আমি তোমাদেরকে আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি। যিনি ছাড়া আর কোনো ইলাহ নেই। তোমাদের কি জানা আছে যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন : যে ব্যক্তি ‘রুমাহ’ কূপ কিনবে আল্লাহ তাকে মাফ করে দেবেন? আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে গিয়ে বললাম : আমি ‘রুমাহ’ কূপ কিনেছি। তখন তিনি (ﷺ) বললেন : এখন তা তুমি মুসলিমদের পানি পান করার জন্য ওয়াকফ করে দাও। আর এর সাওয়াব তুমি পাবে। তাঁরা বললেন : হ্যাঁ [আমরা এও জানি]।তিনি আবার বললেন : আমি তোমাদেরকে আল্লাহর কসম দিয়ে বলছি যিনি ছাড়া আর কোনো ইলাহ নেই। তোমাদের কি জানা আছে যে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন : যে ব্যক্তি তাবুক যুদ্ধের বাহিনীদের যুদ্ধ সরঞ্জাম ব্যবস্থা করে দেবে, আল্লাহ তাকে মাফ করে দেবেন। এরপর আমি তাদের জন্য এমনভাবে যুদ্ধের সরঞ্জামের ব্যবস্থা করে দেই যাতে ঐ বাহিনীর কোনো লোকের একটি রশির বা একটি লাগামেরও প্রয়োজনও হয়নি? তারা বললেন : হ্যাঁ (আমরা এও জানি)। উসমান (রাঃ) এরপর বলেন : হে আল্লাহ! আপনি সাক্ষী থাকুন! হে আল্লাহ! আপনি সাক্ষী থাকুন! হে আল্লাহ! আপনি সাক্ষী থাকুন!
