৩৬/৪৬. অধ্যায়ঃ
কৃষিচাষের সাথে সংশ্লিষ্ট শব্দাবলীর বর্ণনাগত ভিন্নতা
সুনানে নাসাঈ : ৩৯৩৬
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ৩৯৩৬
أَخْبَرَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ قَالَ: حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ طَارِقٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ قَالَ: " لَا بَأْسَ بِإِجَارَةِ الْأَرْضِ الْبَيْضَاءِ بِالذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ، وَقَالَ: «إِذَا دَفَعَ رَجُلٌ إِلَى رَجُلٍ مَالًا قِرَاضًا، فَأَرَادَ أَنْ يَكْتُبَ عَلَيْهِ بِذَلِكَ كِتَابًا» كَتَبَ: هَذَا كِتَابٌ كَتَبَهُ فُلَانُ بْنُ فُلَانٍ طَوْعًا مِنْهُ فِي صِحَّةٍ مِنْهُ، وَجَوَازِ أَمْرِهِ لِفُلَانِ بْنِ فُلَانٍ، أَنَّكَ دَفَعْتَ إِلَيَّ مُسْتَهَلَّ شَهْرِ كَذَا مِنْ سَنَةِ كَذَا، عَشَرَةَ آلَافِ دِرْهَمٍ، وُضْحًا جِيَادًا، وَزْنَ سَبْعَةٍ قِرَاضًا عَلَى تَقْوَى اللَّهِ فِي السِّرِّ، وَالْعَلَانِيَةِ، وَأَدَاءِ الْأَمَانَةِ عَلَى أَنْ أَشْتَرِيَ بِهَا مَا شِئْتُ مِنْهَا كُلَّ مَا أَرَى أَنْ أَشْتَرِيَهُ، وَأَنْ أُصَرِّفَهَا، وَمَا شِئْتُ مِنْهَا فِيمَا أَرَى أَنْ أُصَرِّفَهَا فِيهِ مِنْ صُنُوفِ التِّجَارَاتِ، وَأَخْرُجَ بِمَا شِئْتُ مِنْهَا حَيْثُ شِئْتُ، وَأَبِيعَ مَا أَرَى أَنْ أَبِيعَهُ مِمَّا أَشْتَرِيهِ بِنَقْدٍ رَأَيْتُ أَمْ بِنَسِيئَةٍ، وَبِعَيْنٍ رَأَيْتُ أَمْ بِعَرْضٍ عَلَى أَنْ أَعْمَلَ فِي جَمِيعِ ذَلِكَ كُلِّهِ بِرَأْيِي، وَأُوَكِّلَ فِي ذَلِكَ مَنْ رَأَيْتُ، وَكُلُّ مَا رَزَقَ اللَّهُ فِي ذَلِكَ مِنْ فَضْلٍ، وَرِبْحٍ بَعْدَ رَأْسِ الْمَالِ الَّذِي دَفَعْتَهُ الْمَذْكُورِ إِلَيَّ الْمُسَمَّى مَبْلَغُهُ فِي هَذَا الْكِتَابِ، فَهُوَ بَيْنِي وَبَيْنَكَ نِصْفَيْنِ، لَكَ مِنْهُ النِّصْفُ بِحَظِّ رَأْسِ مَالِكَ، وَلِي فِيهِ النِّصْفُ تَامًّا بِعَمَلِي فِيهِ، وَمَا كَانَ فِيهِ مِنْ وَضِيعَةٍ فَعَلَى رَأْسِ الْمَالِ، فَقَبَضْتُ مِنْكَ هَذِهِ الْعَشَرَةَ آلَافِ دِرْهَمٍ الْوُضْحَ الْجِيَادَ، مُسْتَهَلَّ شَهْرِ كَذَا فِي سَنَةِ كَذَا، وَصَارَتْ لَكَ فِي يَدِي قِرَاضًا عَلَى الشُّرُوطِ الْمُشْتَرَطَةِ فِي هَذَا الْكِتَابِ، أَقَرَّ فُلَانٌ وَفُلَانٌ، وَإِذَا أَرَادَ أَنْ يُطْلِقَ لَهُ أَنْ يَشْتَرِيَ وَيَبِيعَ بِالنَّسِيئَةِ كَتَبَ، وَقَدْ نَهَيْتَنِي أَنْ أَشْتَرِيَ، وَأَبِيعَ بِالنَّسِيئَةِ
সাঈদ ইবন মুসাইয়্যাব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
চাষযোগ্য জমি সোনা-রূপা বা অর্থের বিনিময়ে ভাড়া দেয়াতে কোন সমস্যা নেই। যে ব্যক্তি মুযারাবাহ হিসেবে কাউকে কিছু দেবে, তখন তার উচিত হবে কিছু লিখে রাখা এবং অমুকের পুত্র অমুককে প্রদান করেছে। এই মর্মে যে, অমুক বছরের অমুক মাস আরম্ভ হলে তুমি আমাকে দশ হাজার খাঁটি দিরহাম প্রদান করেছ এই শর্তে যে, আমি প্রকাশ্যে এবং গোপনে আল্লাহকে ভয় করব এবং খিয়ানাত করব না। আর এই শর্তে যে, এই দিরহাম দিয়ে যা ইচ্ছা তা ক্রয় করব, যেখানে ইচ্ছা খরচ করব এবং যেখান থেকে ইচ্ছা উঠিয়ে নেব, খরিদকৃত বস্তু হতে যা ইচ্ছা তা নগদ বা বাকী বিক্রি করব, আর নিজের ইচ্ছায় টাকা বা অন্য কিছু নেব। আর যাকে ইচ্ছা আমি উকিল বানাব। তুমি যেমন দিয়েছ, যা লিখিত আছে, তাতে আল্লাহ যে বারাকাত দেবেন, তা আমার ও তোমার মাঝে আধাআধি হারে ভাগ হবে। তুমি তোমার সম্পদের বিনিময়ে এবং আমি আমার মেহনত ও শ্রমের বিনিময়ে আধাআধি পাব। আর যদি ব্যবসায় ক্ষতি হয়, তবে তা তোমার মাল থেকে যাবে। এই শর্তে তোমার থেকে আমি দশ হাজার দিরহাম গ্রহণ করলাম। অমুক সালের অমুক তারিখ থেকে এই মাল মুযারাবাহ হিসেবে আমার দায়িত্ব এলো। অমুক অমুক ব্যক্তি এ কথার স্বীকার করল। যদি মালের মালিক ইচ্ছা করে যে, সে ব্যক্তি বাকীতে মাল ক্রয়বিক্রয় করবে না, তবে এভাবে লিখবে যে, তুমি আমাকে বাকীতে ক্রয়বিক্রয় করতে নিষেধ করলে।
