৩৭/৩. অধ্যায়ঃ
কোন ব্যক্তির এক স্ত্রীর চেয়ে অপর স্ত্রীকে অধিক ভালোবাসা
সুনানে নাসাঈ : ৩৯৫০
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ৩৯৫০
أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ آدَمَ، عَنْ عَبْدَةَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنْ عَوْفِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ رُمَيْثَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، أَنَّ نِسَاءَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَلَّمْنَهَا، أَنْ تُكَلِّمَ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، أَنَّ النَّاسَ كَانُوا يَتَحَرَّوْنَ بِهَدَايَاهُمْ يَوْمَ عَائِشَةَ، وَتَقُولُ لَهُ: إِنَّا نُحِبُّ الْخَيْرَ كَمَا تُحِبُّ عَائِشَةَ، فَكَلَّمَتْهُ، فَلَمْ يُجِبْهَا، فَلَمَّا دَارَ عَلَيْهَا كَلَّمَتْهُ أَيْضًا، فَلَمْ يُجِبْهَا، وَقُلْنَ: مَا رَدَّ عَلَيْكِ؟ قَالَتْ: لَمْ يُجِبْنِي. قُلْنَ: لَا تَدَعِيهِ حَتَّى يَرُدَّ عَلَيْكِ، أَوْ تَنْظُرِينَ مَا يَقُولُ، فَلَمَّا دَارَ عَلَيْهَا كَلَّمَتْهُ فَقَالَ: «لَا تُؤْذِينِي فِي عَائِشَةَ، فَإِنَّهُ لَمْ يَنْزِلْ عَلَيَّ الْوَحْيُ، وَأَنَا فِي لِحَافِ امْرَأَةٍ مِنْكُنَّ، إِلَّا فِي لِحَافِ عَائِشَةَ» قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ: هَذَانِ الْحَدِيثَانِ صَحِيحَانِ عَنْ عَبْدَةَ
উম্মে সালামা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ)-এর স্ত্রীগণ তাঁকে বলেন যে, মানুষেরা রসূলুল্লাহ (ﷺ) কে তাদের হাদিয়া দেয়ার ব্যাপারে আয়িশা (রাঃ)-এর পালার (দিনের) অপেক্ষা করে। অতএব তিনি যেন তাঁকে বলেন যে, আমরাও রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কল্যাণ কামনা করি যে রকম আয়িশা কামনা করে। উম্মু সালামা (রাঃ) এ বিষয়ে রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে আলোচনা করলেন। তিনি (ﷺ) তাঁকে কোন জবাব দিলেন না।অতঃপর যখন উম্মু সালামা (রাঃ)-এর পালার দিন আসে সেদিনও উম্মু সালামা (রাঃ) উপরোক্ত বিষয়ে আলোচনা করলেন। এতেও তিনি কোন জবাব দিলেন না। তাঁকে (উম্মু সালামা (রাঃ)-কে) রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর স্ত্রীগণ বললেন, রসূলুল্লাহ (ﷺ) কী উত্তর দিলেন? উম্মু সালামা (রাঃ) বললেন, তিনি কোন উত্তর দেননি। তাঁরা বললেন, আপনি বলতে থাকুন যতক্ষণ না তিনি কোন জবাব দেন এবং লক্ষ্য করুন, তিনি কী বলেন। যখন তাঁর (উম্মু সালামা (রাঃ))-এর পালা আসলো, তিনি উপরোক্ত বিষয় নিয়ে আবারো আলোচনা করলেন। তখন তিনি (ﷺ) বললেন: আয়িশা (রাঃ)-এর বিষয়ে আমাকে কষ্ট দিও না। কেননা আল্লাহর শপথ! আয়িশা (রাঃ) ব্যতীত তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে আর কারো লেপে থাকা অবস্থায় ওহী নাজিল হয় না।আবু আবদুর রহমান (ইমাম নাসায়ী) (রহঃ) বলেন: আবদাহ (রহঃ) হতে এ দুটি হাদিসই সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে।
