৪০/২৫. অধ্যায়ঃ

যে ব্যাক্ত কোন নেতার হাতে হাত রেখে একনিষ্ঠতার সাথে অঙ্গীকার করে

সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ৪১৯১

أَخْبَرَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، عَنْ أَبِي مُعَاوِيَةَ، عَنْ الْأَعْمَشِ، عَنْ زَيْدِ بْنِ وَهْبٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ رَبِّ الْكَعْبَةِ قَالَ: انْتَهَيْتُ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَهُوَ جَالِسٌ فِي ظِلِّ الْكَعْبَةِ، وَالنَّاسُ عَلَيْهِ مُجْتَمِعُونَ، قَالَ: فَسَمِعْتُهُ يَقُولُ: بَيْنَا نَحْنُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي سَفَرٍ إِذْ نَزَلْنَا مَنْزِلًا، فَمِنَّا مَنْ يَضْرِبُ خِبَاءَهُ، وَمِنَّا مَنْ يَنْتَضِلُ، وَمِنَّا مَنْ هُوَ فِي جَشْرَتِهِ، إِذْ نَادَى مُنَادِي النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الصَّلَاةُ جَامِعَةٌ»، فَاجْتَمَعْنَا، فَقَامَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَخَطَبَنَا، فَقَالَ: " إِنَّهُ لَمْ يَكُنْ نَبِيٌّ قَبْلِي إِلَّا كَانَ حَقًّا عَلَيْهِ أَنْ يَدُلَّ أُمَّتَهُ عَلَى مَا يَعْلَمُهُ خَيْرًا لَهُمْ، وَيُنْذِرَهُمْ مَا يَعْلَمُهُ شَرًّا لَهُمْ، وَإِنَّ أُمَّتَكُمْ هَذِهِ جُعِلَتْ عَافِيَتُهَا فِي أَوَّلِهَا، وَإِنَّ آخِرَهَا سَيُصِيبُهُمْ بَلَاءٌ، وَأُمُورٌ يُنْكِرُونَهَا تَجِيءُ فِتَنٌ فَيُدَقِّقُ بَعْضُهَا لِبَعْضٍ، فَتَجِيءُ الْفِتْنَةُ، فَيَقُولُ الْمُؤْمِنُ: هَذِهِ مُهْلِكَتِي، ثُمَّ تَنْكَشِفُ، ثُمَّ تَجِيءُ فَيَقُولُ: هَذِهِ مُهْلِكَتِي، ثُمَّ تَنْكَشِفُ فَمَنْ أَحَبَّ مِنْكُمْ أَنْ يُزَحْزَحَ عَنِ النَّارِ، وَيُدْخَلَ الْجَنَّةَ، فَلْتُدْرِكْهُ مَوْتَتُهُ وَهُوَ مُؤْمِنٌ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ، وَلْيَأْتِ إِلَى النَّاسِ مَا يُحِبُّ أَنْ يُؤْتَى إِلَيْهِ، وَمَنْ بَايَعَ إِمَامًا، فَأَعْطَاهُ صَفْقَةَ يَدِهِ وَثَمَرَةَ قَلْبِهِ، فَلْيُطِعْهُ مَا اسْتَطَاعَ، فَإِنْ جَاءَ أَحَدٌ يُنَازِعُهُ فَاضْرِبُوا رَقَبَةَ الْآخَرِ " فَدَنَوْتُ مِنْهُ فَقُلْتُ: سَمِعْتَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ هَذَا؟ قَالَ: نَعَمْ وَذَكَرَ الْحَدِيثَ

আবদুর রহমান ইবনে আব্‌দে রাব্বিল কা‘বা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ)-এর নিকট গেলাম, তখন তিনি কা'বায় ছায়ায় বসা ছিলেন এবং তাঁর চতুর্দিকে লোকজন অবস্থান করছিল। আমি তাঁকে বলতে শুনলাম : একবার আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে এক সফরে ছিলাম। আমরা এক জায়গায় অবতরণ করলাম। এ সময় আমাদের কেউ তাঁবু গাড়ছিল, কেউ তীর নিক্ষেপের প্রতিযোগিতায় ছিল, কেউ পশু চারণে ছিল। এমন সময় নাবী (ﷺ)-এর পক্ষ হতে একজন আহ্বানকারী আহ্বান করল: সালাতের জন্য একত্রিত হও। আমরা সকলে একত্র হলে নাবী (ﷺ) দাঁড়িয়ে বললেন:আমার পূর্ববর্তী প্রত্যেক নাবীর দায়িত্ব ছিল, তাঁর উম্মতের জন্য যা ভালো মনে করতেন, তাদেরকে তা শিক্ষা দিতেন। আর যা তাদের জন্য অকল্যাণকর মনে করতেন, তা হতে তাদেরকে সতর্ক করতেন। আর তোমাদের এই উম্মতের প্রথমদিকের লোকেদের জন্য নিরাপত্তা রাখা হয়েছে কিন্তু শেষের দিকে যারা আসবে তারা বিপদাপদ এবং এমন কিছু বিষয়ের সম্মুখীন হবে যা তারা অনিষ্টকর মনে করবে। তাদের ওপর একের পর এক ফিতনা আসতে থাকবে, যার পরেরটির কাছে পূর্বেরটি তুচ্ছ মনে হবে। এক ফিতনা আসবে তখন মুমিন বলবে : এটি তো আমাকে শেষ করে ছাড়বে। পরে তা দূর হয়ে যাবে। তা দূর হতে না হতে আর এক বিপদ এসে উপস্থিত হবে তখন সে বলবে, এটি তো আমাকে ধ্বংস করে ফেলবে। অতঃপর তা দূর হয়ে যাবে।অতএব তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি জাহান্নাম হতে নিস্তার পেতে এবং জান্নাতে প্রবেশ করতে চায়, সে যেন আল্লাহ এবং শেষ দিবসের উপর ঈমান রেখে মৃত্যুবরণ করে। আর সে লোকের প্রতি ঐরূপ ব্যবহার করবে, যেরূপ ব্যবহার সে তাদের নিকট প্রত্যাশা করে। আর যে নেতার কাছে অঙ্গীকার করে সে তো তার বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ সবকিছুই তাকে দিয়ে দেয়। অতএব সে যেন নিষ্ঠার সাথে সাধ্যমত তার আনুগত্য করে। পরে যদি কোন ব্যক্তি ঐ নেতার সঙ্গে বিবাদে লিপ্ত হতে চায়, তবে তার গর্দান যেন উড়িয়ে দেয়।তখন আমি তার নিকটবর্তী হয়ে বললাম : আপনি কি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে এরূপ বলতে শুনেছেন? তিনি বললেন : জ্বি।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন