৪৫/৮৬. অধ্যায়ঃ
চুক্তিকৃত অর্থের কিছুই আদায় না করার পূর্বে চুক্তিবদ্ধ দাস বিক্রি করা বৈধ
সুনানে নাসাঈ : ৪৬৫৬
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ৪৬৫৬
أَخْبَرَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى قَالَ: أَنْبَأَنَا ابْنُ وَهْبٍ قَالَ: أَخْبَرَنِي رِجَالٌ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ، مِنْهُمْ يُونُسُ، وَاللَّيْثُ، أَنَّ ابْنَ شِهَابٍ أَخْبَرَهُمْ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ أَنَّهَا قَالَتْ: جَاءَتْ بَرِيرَةُ إِلَيَّ، فَقَالَتْ: يَا عَائِشَةُ، إِنِّي كَاتَبْتُ أَهْلِي عَلَى تِسْعِ أَوَاقٍ فِي كُلِّ عَامٍ أُوقِيَّةٌ فَأَعِينِينِي، وَلَمْ تَكُنْ قَضَتْ مِنْ كِتَابَتِهَا شَيْئًا، فَقَالَتْ لَهَا عَائِشَةُ وَنَفِسَتْ فِيهَا: ارْجِعِي إِلَى أَهْلِكِ، فَإِنْ أَحَبُّوا أَنْ أُعْطِيَهُمْ ذَلِكَ جَمِيعًا، وَيَكُونَ وَلَاؤُكِ لِي، فَعَلْتُ، فَذَهَبَتْ بَرِيرَةُ إِلَى أَهْلِهَا، فَعَرَضَتْ ذَلِكَ عَلَيْهِمْ، فَأَبَوْا وَقَالُوا: إِنْ شَاءَتْ أَنْ تَحْتَسِبَ عَلَيْكِ فَلْتَفْعَلْ، وَيَكُونَ ذَلِكِ لَنَا، فَذَكَرَتْ ذَلِكَ عَائِشَةُ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: «لَا يَمْنَعُكِ ذَلِكِ مِنْهَا، ابْتَاعِي وَأَعْتِقِي، فَإِنَّ الْوَلَاءَ لِمَنْ أَعْتَقَ» فَفَعَلَتْ، وَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي النَّاسِ فَحَمِدَ اللَّهَ تَعَالَى، ثُمَّ قَالَ: «أَمَّا بَعْدُ، فَمَا بَالُ النَّاسِ يَشْتَرِطُونَ شُرُوطًا لَيْسَتْ فِي كِتَابِ اللَّهِ، مَنِ اشْتَرَطَ شَرْطًا لَيْسَ فِي كِتَابِ اللَّهِ فَهُوَ بَاطِلٌ، وَإِنْ كَانَ مِائَةَ شَرْطٍ، قَضَاءُ اللَّهِ أَحَقُّ، وَشَرْطُ اللَّهِ أَوْثَقُ، وَإِنَّمَا الْوَلَاءُ لِمَنْ أَعْتَقَ»
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
বারীরা (রাঃ) আমার কাছে উপস্থিত হয়ে বললঃ হে আয়িশা! আমি আমার মালিকদের সঙ্গে নয় উকিয়া বিনিময়ে মুক্তি লাভের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছি, প্রতি বছর আমি এক উকিয়া দিয়ে সহযোগিতা করব। অতএব আপনি এ বিষয়ে আমাকে সহযোগিতা করুন। সে তখনও যা চুক্তি করেছিল তার থেকে কিছুই আদায় করেনি। আয়িশা (রাঃ) তাঁর প্রতি সদয় হয়ে বলেনঃ তুমি তোমার মালিকদের কাছে গিয়ে বল, যদি তারা সম্মতি প্রদান করে, তবে আমি একত্রেই তাদের সকল প্রাপ্য আদায় করে দেব কিন্তু তোমার পরিত্যক্ত সম্পদ আমারই হবে।তারা বললঃ আয়িশা (রাঃ) যদি ইচ্ছা করে তোমার প্রতি অনুগ্রহ করতে পারেন, কিন্তু তোমার পরিত্যক্ত সম্পদ আমাদের থাকবে।রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট আয়িশা (রাঃ) এ কথা উল্লেখ করলে তিনি (ﷺ) বললেনঃ তাদের কথা তোমাকে যেন এ থেকে বিরত না করে। তুমি তাকে ক্রয় করে আজাদ করে দাও। কেননা ওয়ালা ঐ ব্যক্তির হবে, যে তাকে আজাদ করবে। তিনি তাই করলেন।এরপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ লোকেদের কি হলো যে, তারা এমন শর্তারোপ করে, যা আল্লাহর কিতাবে নেই। যে এমন শর্তারোপ করবে, যা আল্লাহর কিতাবে নেই, তার সে শর্ত বাতিল বলে গণ্য হবে। যদিও সে একশত শর্ত করে থাকে। আল্লাহর ফায়সালাই সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য এবং আল্লাহর শর্তই অগ্রগণ্য। ’ওয়ালা’ আযাদকারী ব্যক্তিই পাবে।
