৬/২০. অধ্যায়ঃ
‘ইশার সলাত দেরী করে আদায় করা মুস্তাহাব
সুনানে নাসাঈ : ৫৩০
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ৫৩০
أَخْبَرَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ قَالَ: أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ عَوْفٍ، عَنْ سَيَّارِ بْنِ سَلَامَةَ قَالَ: دَخَلْتُ أَنَا وَأَبِي عَلَى أَبِي بَرْزَةَ الْأَسْلَمِيِّ فَقَالَ لَهُ أَبِي: أَخْبِرْنَا كَيْفَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي الْمَكْتُوبَةَ؟ قَالَ: «كَانَ يُصَلِّي الْهَجِيرَ الَّتِي تَدْعُونَهَا الْأُولَى حِينَ تَدْحَضُ الشَّمْسُ، وَكَانَ يُصَلِّي الْعَصْرَ، ثُمَّ يَرْجِعُ أَحَدُنَا إِلَى رَحْلِهِ فِي أَقْصَى الْمَدِينَةِ وَالشَّمْسُ حَيَّةٌ» - قَالَ: وَنَسِيتُ مَا قَالَ فِي الْمَغْرِبِ - قَالَ: «وَكَانَ يَسْتَحِبُّ أَنْ تُؤَخَّرَ صَلَاةُ الْعِشَاء الَّتِي تَدْعُونَهَا الْعَتَمَةَ». قَالَ: «وَكَانَ يَكْرَهُ النَّوْمَ قَبْلَهَا وَالْحَدِيثَ بَعْدَهَا، وَكَانَ يَنْفَتِلُ مِنْ صَلَاةِ الْغَدَاةِ حِينَ يَعْرِفُ الرَّجُلُ جَلِيسَهُ، وَكَانَ يَقْرَأُ بِالسِّتِّينَ إِلَى الْمِائَةِ»
সাইয়ার ইব্ন সালামা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি এবং আমার পিতা আবু বরজা আল আসলামি (রাঃ)-এর কাছে উপস্থিত হলাম। আমার পিতা তাঁকে বললেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফরজ সালাত কিভাবে আদায় করতেন তা আমাকে অবহিত করুন।তিনি বললেন, সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়লে যুহরের সালাত আদায় করতেন, যাকে তোমরা (সালাতে) ‘উলা’ বলে থাক এবং ‘আসরের সালাত এমন সময় আদায় করতেন যে, আমাদের কেউ মদিনার দূরপ্রান্তে নিজ অবস্থানে চলে যেতে পারত, তখনও সূর্য দীপ্তিমান থাকত। বর্ণনাকারী সাইয়ার (রহঃ) বলেন, মাগরিব সম্বন্ধে কি বলেছিলেন আমার স্মরণে নেই।‘ইশার সালাত যাকে তোমরা ‘আতামাহ’ বল, দেরীতে আদায় করা তিনি পছন্দ করতেন। ‘ইশার আগে ঘুমানো ও তারপর কথা বলাকে অপছন্দ করতেন। আর ফজরের সালাত আদায় করে এমন সময় ফিরতেন যখন কোন ব্যক্তি তার পার্শ্ববর্তী লোককে চিনতে পারত। তিনি ফজরের সালাতে ষাট হতে একশত আয়াত পর্যন্ত পাঠ করতেন।
