২৪/১৮৭. অধ্যায়ঃ
ইয়াওমুত্ তারভিয়াহ্-এর আগে খুত্ববাহ্
সুনানে নাসাঈ : ২৯৯৩
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ২৯৯৩
أَخْبَرَنَا إِسْحَقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: قَرَأْتُ عَلَى أَبِي قُرَّةَ مُوسَى بْنِ طَارِقٍ، عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ خُثَيْمٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ " أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، حِينَ رَجَعَ مِنْ عُمْرَةِ الْجِعِرَّانَةِ بَعَثَ أَبَا بَكْرٍ عَلَى الْحَجِّ فَأَقْبَلْنَا مَعَهُ، حَتَّى إِذَا كَانَ بِالْعَرْجِ ثَوَّبَ بِالصُّبْحِ، ثُمَّ اسْتَوَى لِيُكَبِّرَ فَسَمِعَ الرَّغْوَةَ خَلْفَ ظَهْرِهِ، فَوَقَفَ عَلَى التَّكْبِيرِ، فَقَالَ: هَذِهِ رَغْوَةُ نَاقَةِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْجَدْعَاءِ، لَقَدْ بَدَا لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْحَجِّ فَلَعَلَّهُ أَنْ يَكُونَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَنُصَلِّيَ مَعَهُ، فَإِذَا عَلِيٌّ عَلَيْهَا، فَقَالَ لَهُ أَبُو بَكْرٍ: أَمِيرٌ أَمْ رَسُولٌ؟ قَالَ: لَا بَلْ رَسُولٌ، أَرْسَلَنِي رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِبَرَاءَةَ أَقْرَؤُهَا عَلَى النَّاسِ فِي مَوَاقِفِ الْحَجِّ، فَقَدِمْنَا مَكَّةَ فَلَمَّا كَانَ قَبْلَ التَّرْوِيَةِ بِيَوْمٍ، قَامَ أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَخَطَبَ النَّاسَ فَحَدَّثَهُمْ عَنْ مَنَاسِكِهِمْ حَتَّى إِذَا فَرَغَ قَامَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَقَرَأَ عَلَى النَّاسِ بَرَاءَةٌ حَتَّى خَتَمَهَا، ثُمَّ خَرَجْنَا مَعَهُ حَتَّى إِذَا كَانَ يَوْمُ عَرَفَةَ قَامَ أَبُو بَكْرٍ فَخَطَبَ النَّاسَ فَحَدَّثَهُمْ عَنْ مَنَاسِكِهِمْ، حَتَّى إِذَا فَرَغَ قَامَ عَلِيٌّ فَقَرَأَ عَلَى النَّاسِ بَرَاءَةٌ حَتَّى خَتَمَهَا، ثُمَّ كَانَ يَوْمُ النَّحْرِ فَأَفَضْنَا، فَلَمَّا رَجَعَ أَبُو بَكْرٍ خَطَبَ النَّاسَ فَحَدَّثَهُمْ عَنْ إِفَاضَتِهِمْ، وَعَنْ نَحْرِهِمْ، وَعَنْ مَنَاسِكِهِمْ، فَلَمَّا فَرَغَ قَامَ عَلِيٌّ فَقَرَأَ عَلَى النَّاسِ بَرَاءَةٌ حَتَّى خَتَمَهَا، فَلَمَّا كَانَ يَوْمُ النَّفْرِ الْأَوَّلُ، قَامَ أَبُو بَكْرٍ فَخَطَبَ النَّاسَ فَحَدَّثَهُمْ كَيْفَ يَنْفِرُونَ، وَكَيْفَ يَرْمُونَ، فَعَلَّمَهُمْ مَنَاسِكَهُمْ، فَلَمَّا فَرَغَ، قَامَ عَلِيٌّ فَقَرَأَ بَرَاءَةٌ عَلَى النَّاسِ حَتَّى خَتَمَهَا " قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ: " ابْنُ خُثَيْمٍ، لَيْسَ بِالْقَوِيِّ فِي الْحَدِيثِ، وَإِنَّمَا أَخْرَجْتُ هَذَا لِئَلَّا يُجْعَلَ ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ وَمَا كَتَبْنَاهُ إِلَّا عَنْ إِسْحَقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، وَيَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ، لَمْ يَتْرُكْ حَدِيثَ ابْنِ خُثَيْمٍ، وَلَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ، إِلَّا أَنَّ عَلِيَّ بْنَ الْمَدِينِيِّ، قَالَ: ابْنُ خُثَيْمٍ مُنْكَرُ الْحَدِيثِ، وَكَأَنَّ عَلِيَّ بْنَ الْمَدِينِيِّ خُلِقَ لِلْحَدِيثِ "---[حكم الألباني] ضعيف الإسناد
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) উমরা করে জিইরানাহ নামক স্থানে ফিরে এসে [হজ্জের সময়] আবু বকর (রাঃ)-কে হজ্জের প্রতিনিধি নিযুক্ত করে প্রেরণ করলেন। আমরাও তাঁর সঙ্গে রওনা দিলাম। আরজ নামক স্থানে পৌঁছে সকাল হলে তিনি [সালাতের] তাকবীর বলার জন্য প্রস্তুত হলেন।এমন সময় পেছনে উটের ডাক শুনতে পেয়ে তিনি তাকবীর থামিয়ে দিয়ে বললেন: এতো রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর উটনী জাদআর ডাক। হয়তো রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হজ্জের ব্যাপারে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত উপনীত হয়েছেন। হয়তো রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এসেছেন, আমরা তাঁর সঙ্গে সালাত আদায় করবো। হঠাৎ দেখা গেল আলী (রাঃ) বাহনের উপর।আবু বকর (রাঃ) তাঁকে বললেন: আপনি কি আমীর হিসেবে এসেছেন, না দূত হিসেবে? তিনি বললেন: আমি দূত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে সূরা বারাআতসহ পাঠিয়েছেন। আমি হজ্জের বিভিন্ন অবস্থান কেন্দ্রে লোকেদের পাঠ করে শুনাব। আমরা মক্কায় আসলাম। যিলহজ্জের ৮ তারিখের একদিন আগে আবু বকর (রাঃ) লোকেদের সামনে দাঁড়িয়ে ভাষণ দিলেন। তাদেরকে হজ্জের আহকাম শুনালেন। তিনি তাঁর ভাষণ শেষ করলে আলী (রাঃ) দাঁড়ালেন এবং তিনি লোকেদের মাঝে সূরা বারাআত পাঠ করে শুনালেন।পরে আমরা তাঁর সঙ্গে বের হলাম। যখন আরাফার দিন এলো, তখন আবু বকর (রাঃ) লোকেদের মাঝে দাঁড়িয়ে ভাষণ দিলেন। তাদের কাছে হজ্জের আহকাম বর্ণনা করলেন। যখন তিনি তাঁর ভাষণ শেষ করলেন, তখন আলী (রাঃ) দাঁড়িয়ে লোকেদের মাঝে সূরা বারাআত পাঠ করে শুনালেন।এরপর দশ তারিখ [কুরবানীর দিন] এলে আমরা মুযদালিফা থেকে ইফাযা গেলাম। আবু বকর (রাঃ) ফিরে এসে লোকের মাঝে ভাষণ দিলেন। তাতে তিনি ইফাযা, কুরবানী এবং হজ্জের আহকার বর্ণনা করলেন। তিনি যখন ভাষণ শেষ করলেন, তখন আলী (রাঃ) দাঁড়িয়ে লোকেদের মাঝে সূরা বারাআত পাঠ করে শুনালেন এবং তা শেষ করলেন।প্রথম সফরের দিন এলে আবু বকর (রাঃ) লোকেদের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন, কিভাবে নাফর বা দেশের পথে যাত্রা করতে হবে এবং রমি (কঙ্কর নিক্ষেপ) করতে হবে সে সমস্ত আহকাম শিক্ষা দিলেন। তিনি ভাষণ শেষ করলে আলী (রাঃ) দাঁড়িয়ে লোকেদের নিকট সূরা বারাআত শেষ পর্যন্ত পাঠ করে শুনালেন।আবু আবদুর রহমান (রহঃ) বলেন, ইবনু খুথাইম হাদীস বর্ণনায় তেমন শক্তিশালী নন। আমি ইবনু জুরায়জ (রহঃ) আবু যুবায়র (রহঃ) থেকে এ সানাদে বর্ণনা না করে ইবনু জুরায়জ (রহঃ) ইবনু খুথাইম (রহঃ) থেকে, তিনি আবু যুবায়র (রাঃ) এ সানাদে রিওয়ায়াত বর্ণনা করেছি। কেননা প্রথমোক্ত সানাদে ইবনু জুরায়জ (রহঃ) ও আবু যুবায়র (রহঃ)-এর মধ্যে একজন রাবী বাদ পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যাকে উসূলে হাদীসের ভাষায় মুকাতি‘ বলা হয়।আমি এ হাদীসটি ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) সূত্রে লিপিবদ্ধ করেছি। ইয়াহিয়া ইবনু সাঈদ আল কত্তান (রহঃ) ইবনু খুথাইম (রহঃ) থেকে হাদীস বর্ণনা ত্যাগ করেননি। আবদুর রহমান থেকেও না। তবে আলী ইবনুল মাদিনি (রহঃ) ইবনু খুথাইম (রহঃ)-কে মুনকারুল হাদীস বলে অভিমত দিয়েছেন। আলী ইবনুল মাদিনি (রহঃ) সৃষ্টি হাদীসশাস্ত্রের জন্যেই।
