৩৯/১. অধ্যায়ঃ
হাদিস ৪১৩৭
সুনানে নাসাঈ : ৪১৩৭
সুনানে নাসাঈহাদিস নম্বর ৪১৩৭
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ قَالَ: أَنْبَأَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيِّبِ، عَنْ جُبَيْرِ بْنِ مُطْعِمٍ قَالَ: لَمَّا قَسَمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سَهْمَ ذِي الْقُرْبَى بَيْنَ بَنِي هَاشِمٍ، وَبَنِي الْمُطَّلِبِ أَتَيْتُهُ أَنَا وَعُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ فَقُلْنَا: يَا رَسُولَ اللَّهِ، هَؤُلَاءِ بَنُو هَاشِمٍ لَا نُنْكِرُ فَضْلَهُمْ لِمَكَانِكَ الَّذِي جَعَلَكَ اللَّهُ بِهِ مِنْهُمْ، أَرَأَيْتَ بَنِي الْمُطَّلِبِ أَعْطَيْتَهُمْ، وَمَنَعْتَنَا، فَإِنَّمَا نَحْنُ وَهُمْ مِنْكَ بِمَنْزِلَةٍ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «إِنَّهُمْ لَمْ يُفَارِقُونِي فِي جَاهِلِيَّةٍ وَلَا إِسْلَامٍ، إِنَّمَا بَنُو هَاشِمٍ، وَبَنُو الْمُطَّلِبِ شَيْءٌ وَاحِدٌ»، وَشَبَّكَ بَيْنَ أَصَابِعِهِ
জুবায়র ইব্ন মুত‘ইম (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন নিকটাত্মীয়দের অংশ বানু হাশিম এবং বানু মুত্তালিব-এর মধ্যে ভাগ-বণ্টন করলেন তখন আমি ও উসমান ইবন আফফান তাঁর নিকট গিয়ে বললাম, হে আল্লাহর রসূল (ﷺ) এরা হলো বানু হাশিম, আল্লাহ তা’আলা তাদের সাথে আপনার যে সম্পর্ক স্থাপন করেছেন, সে কারণে তাদের মর্যাদা আমরা অস্বীকার করি না। কিন্তু আপনি কি লক্ষ্য করেছেন যে, আপনি বানু মুত্তালিব-কে দান করলেন এবং আমাদেরকে কিছুই দান করলেন না। অথচ আমরা ও তারা আপনার সমপর্যায়ের আত্মীয়।তখন রসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: তারা জাহিলিয়্যাত এবং ইসলামে আমাকে ত্যাগ করেনি। আমি তো বানু হাশিম ও বানু মুত্তালিব-কে একই রকম মনে করি- এই বলে তিনি (ﷺ) স্বীয় এক হাতের আঙুলসমূহ অন্য হাতের আঙুলের মধ্যে প্রবেশ করালেন।
অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মক্কার জীবনে বনূ আবদুল মুত্তালিব ইসলাম গ্রহণ না করলেও কখনও তারা তাঁর বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ করেনি; বরং বনূ হাশিমের মত তারাও তাঁর পাশে থেকেছে। এমনকি আবূ তালিব উপত্যকার অন্তরীণ জীবনেও তারা কুরায়শের বিরুদ্ধে এসে স্বেচ্ছায় তাঁর সঙ্গে অন্তরীণ জীবন যাপন করেছে। পক্ষান্তরে বনূ আব্দ শাম্স ও বনূ নাওফালের আচরণ ছিল এর বিপরীত, যদিও তারাও বনূ হাশিম ও বনূ আবদুল মুত্তালিবের মত আব্দ মানাফের বংশধর এবং মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সমপর্যায়ের আত্মীয়। মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের এই অবস্থানগত পার্থক্যের দিকেই ইশারা করেছেন।
